news News: ‘বাড়ি-ঘর ছেড়ে তোমার কাছে এসেছি, এখান থেকে এক চুলও নড়ব না!’ – rahul dravid recalls previous funny incident when a female fan refused to leave his home

0
12
Print Friendly, PDF & Email

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেট দলে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের অধিনায়কত্বে শুধু যে সচিন তেন্ডুলকর তাঁর রাজকীয় ফর্মে ফিরে এসেছিলেন, তা নয়। রাহুল দ্রাবিড় নামক এক ‘দেওয়াল’-এর উত্থানও দেখেছে তামাম ক্রিকেট দুনিয়া। ব্যাটিংয়ের সঙ্গেই দিনের পর দিন দলের হয়ে কিপিংও করে গিয়েছেন ‘দ্য ওয়াল’। টেস্ট, এক দিনের আন্তর্জাতিক এই দুই ফরম্যাটেই ১০ হাজার রানের গণ্ডি পেরিয়েছেন দ্রাবিড়। সেই রাহুলেরই এক ভক্তের কাহিনি শুনলে চক্ষু ছানাবড়া হয়ে যাবে যে কারও।

২০১৬ সালে হিউমরিস্ট বিক্রম সাথায়ে-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে মাজাদার সেই কাহিনির কথা তুলে ধরেছিলেন দ্রাবিড়। রাহুলের বাড়ি চলে এসেছিলেন এক ভক্ত। রাহুল ভেবেছিলেন অটোগ্রাফ নিয়েই হয়তো সে চলে যাবে। কিন্তু তা হয়নি। নাছোড় সেই মহিলা ভক্ত রাহুলের বাড়িতেই থাকার কাতর আর্জি জানিয়েছিলেন জ্যামিকে (যে নামে রাহুল দ্রাবিড় জনপ্রিয় ভারতীয় দলে)।

পুরনো সেই দিনের কথা মনে করে রাহুল বললেন, “সবে একটা ট্যুর থেকে ফিরেছি। দুপুরের দিকে বাড়িতে ঘুমাচ্ছিলাম। ঘুম থেকে যখন উঠলাম, তখন মা-বাবা বললেন, বাইরে এক ভক্ত তোমার অপেক্ষা করছেন। সুদূর হায়দরাবাদ থেকে আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন তিনি। দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করছিলেন তিনি। আমি ভেবেছিলাম, ওই হয়তো অটোগ্রাফ বা ছবি তুললেই খুশি হয়ে যাবেন সেই ভক্ত।”

কিন্তু না! তারপরই সেই ভক্তের থেকে এসেছিল কাতর আর্জি। এক নিমেষে রাহুলের উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে চোখ কপালে তুলে দিয়েছিল ভক্তের সেই করুণ আর্জি। আসলে রাহুল দ্রাবিড়ের সেই ভক্ত ছিলেন আদপে মহিলা। রাহুলের বাড়িতে থাকারই ইচ্ছে ছিল তাঁর।

আরও পড়ুন: ‘অবশ্যই ভারতের বোলিং কোচ হতে চাই’, বললেন শোয়েব আখতার


ছবি তোলা হয়ে গেল। অটোগ্রাফও দেওয়া হয়ে গিয়েছে। তবুও কিছুতেই জ্যামির বাড়ি ছাড়তে চাইছিলেন না ওই মহিলা। দ্রাবিড়কে সে দিন তিনি বলেছিলেন, “না! আমি এখান থেকে কোথাও যাব না। বাড়ি-ঘর সব ছেড়ে আমি তোমার কাছে এসেছি। এখন তোমার কাছেই থাকব।”

আরও পড়ুন: “ভারতের স্পিনার ত্রয়ী গোটা বিশ্বের ত্রাস হলেও পাকিস্তান ওঁদের প্রচুর পিটিয়েছে”: মিঁয়াদাদ

সে দিন সেই কথা শোনার পর তো একপ্রকার ভিরমি খেয়েই গিয়েছিলেন
রাহুল দ্রাবিড়। হাসতে হাসতেই বললেন, “আমি তো সত্যিই অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। খুব শান্ত ভাবেই ব্যাপারটা মিটে গিয়েছিল। কিন্তু আমার মা-বাবার জন্যও এটা একটা শিক্ষা ছিল। যাঁকে তাঁকে বাড়িতে ঢুকতে দেওয়ার আগে একটু ভাবা উচিত।”



Source link