news News : ধার-দেনায় ডুবে যাচ্ছেন মহামেডানের দুই বিদেশি – trouble for mohammedan s.c players john chidi and musa mudde to sustain in kolkata amid coronavirus lockdown

0
8
Print Friendly, PDF & Email

হাইলাইটস

  • কেন ধারদেনা করতে হচ্ছে চিডি-মুসাদের? আসলে মহামেডানের বিদেশিরাও যথেষ্ট কম মাইনে পান।
  • ক্লাব শুধু থাকার জন্য ফ্ল্যাট দেয়। নিজেদের জীবনধারনের খরচাটুকু বাদ দিয়ে পরিবারকে অর্থ পাঠানোর জন্য অধিকাংশ ক্ষেত্রে খেপের মাঠকে বেছে নেন এঁরা।
  • লকডাউনে ‘খেপ’ বন্ধ। ফলে আরও বিপাকে পড়েছেন চিডিরা।

অভিষেক সেনগুপ্ত

চেনা বন্ধুর কাছে ধার চাইছেন কেউ। আবার কেউ পরিচিত সমর্থককে বলছেন, বাড়ির কালার টিভিটা বিক্রি করে দিতে চান। লকডাউনের জন্য আর্থিক সঙ্কটে পরিবার। কিন্তু দেশে টাকা পাঠাতে পারছেন না ওঁরা। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে, ফিরেও যেতে পারছেন না দেশে।

ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানে খেলা স্প্যানিশ ফুটবলাররা ফিরে গিয়েছেন দেশে। কিন্তু শহরে আটকে পড়েছেন মহমেডানের দুই আফ্রিকান জন চিডি ও মুসা মুদ্দে। দু’জনেরই দাবি মার্চ মাস থেকে মাইনে পাননি ক্লাব থেকে। এই পরিস্থিতিতে কার্যত দিশেহারা চিডি ও মুসা।

ক্লাবের সচিব কামারউদ্দিন অবশ্য বলে দিলেন, ‘যে মুহূর্তে ফুটবল বন্ধ হয়েছে, চুক্তি শেষ হয়ে গিয়েছে ফুটবলারদের সঙ্গে। মার্চ মাস পর্যন্ত সবার মাইনে মিটিয়ে দিয়েছি। এর পরও ওরা কী বলছে, জানি না। লকডাউনে ওদের সমস্যা যাতে না হয়, ফ্ল্যাটের ভাড়া কিন্তু ক্লাবই দিচ্ছে।’ মাঠ সচিব বেলাল আমেদ এঁদের নিয়মিত খাবারও পৌঁছে দিচ্ছেন।

তাহলে কেন ধারদেনা করতে হচ্ছে চিডি-মুসাদের? আসলে মহামেডানের বিদেশিরাও যথেষ্ট কম মাইনে পান। ক্লাব শুধু থাকার জন্য ফ্ল্যাট দেয়। নিজেদের জীবনধারনের খরচাটুকু বাদ দিয়ে পরিবারকে অর্থ পাঠানোর জন্য অধিকাংশ ক্ষেত্রে খেপের মাঠকে বেছে নেন এঁরা। লকডাউনে ‘খেপ’ বন্ধ। ফলে আরও বিপাকে পড়েছেন চিডিরা।

আরও পড়ুন: করোনায় এই প্রথম মৃত্যু সুমো কুস্তিগীরের

মুসা থাকেন পার্ক সার্কাসে। করোনাভাইরাসের জন্য উগান্ডায় চলছে লকডাউন। পরিবারের কাছে ফেরার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন তিনি। বলছিলেন, ‘মাইনে পাইনি তিন মাস। মহামেডান কর্তারা খোঁজ পর্যন্ত নেন না। বুঝতে পারছি না, কী করব? আমার আবার মে মাসে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। ফিরব কী করে দেশে?’

পিকনিক গার্ডেনের এক ফ্ল্যাটে থাকেন চিডি। এলাকা রেড জোন। তাই বাড়ির বাইরে বেরোতে পারছেন না। ভারতের মতো অবস্থা নয় নাইজিরিয়ার। লকডাউন উঠে গিয়েছে। চিডি বলছিলেন, ‘নাইজিরিয়ায় থাকলে কোনও সমস্যা হত না। কিন্তু এখানে, কাল কী খাব জানি না। টাকা পয়সা যা ছিল, প্রায় শেষ। ক্লাব মাইনে দেয়নি মার্চ মাস থেকে। চেনা বন্ধুদের কাছে টাকা ধার করতে হচ্ছে। দেশে কবে ফিরব, কে জানে।’

Source link