coronavirus : প্রশ্নচিহ্নের মুখে বাংলার অজস্র খেলা – many sports of bengal facing crisis due to corona lockdown

0
14
Print Friendly, PDF & Email

অমরেন্দ্র চক্রবর্তী

করোনার কারণে যাবতীয় খেলা বন্ধ। কবে খেলা শুরু হবে? অনির্দিষ্ট এক প্রতীক্ষার পালা। কিন্তু তারপরেও রয়েছে আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়ার অনিশ্চয়তা।

রাজ্য অ্যাথলেটিক্স সংস্থা বছরে একটি টুর্নামেন্ট করে। রাজ্য চ্যাম্পিয়নশিপ। জুন-জুলাইতে তা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কবে হবে তা সঠিক বলতে পারছেন না সংস্থার সচিব কমল মৈত্র। নভেম্বর অথবা ডিসেম্বরে হতে পারে। কিন্তু তার থেকে বড় প্রশ্ন টাকা। সচিবের কথায়, ‘একটা রাজ্য মিট করতে গেলে লাগে কমপক্ষে দশ লক্ষ টাকা। কে দেবে এত টাকা?’

রাজ্য টেবল টেনিসের বছরে ছোট, বড় মিলিয়ে ১৫ টুর্নামেন্ট হয় বছরে। যার একটিও শুরু করা যায়নি। একটিও হয়নি। রাজ্য সংস্থার সচিব শর্মি সেনগুপ্তর কথায়, ‘ওয়ার্ল্ড জুনিয়র সার্কিট নভেম্বর হওয়ার কথা ছিল। তা বাতিল হয়ে গিয়েছে। রাজ্য মিট আমাদের করতেই হবে। হাজার দুয়েক খেলোয়াড় আসবে। কিন্তু তাই বা কী করে করব? সরকারি নির্দেশিকা এখনও বেরোয়নি। সোশাল ডিসস্ট্যান্সিং কী অবস্থায় থাকবে, তাও জানি না। একটা রাজ্য মিট করতে গেলে লাখ দশেক টাকার বেশি লাগে। সেটা যোগার করা কঠিন। তাই টিম চ্যাম্পিয়নশিপ হয়তো করা যাবেই না। শুধু ব্যক্তিগত বিভাগের খেলা শুধু করতে পারব।’

বহুকাল আগেই কলকাতা হকির সেই সোনালি যুগ বিদায় নিয়েছে। যেটুকু রয়েছে, তা এ বার যাওয়ার মুখে। মৃতপ্রায় কলকাতা হকির পুনরুজ্জীবনের জন্য ফ্লাড লাইটের আলোয় কিছু ম্যাচ হয়েছে। কিন্তু তারপরে? রাজ্য হকি সংস্থার সচিব ইশতিয়াক আহমেদের কণ্ঠে আতঙ্ক, ‘কী হবে জানি না? দুশো উপরে লিগের ম্যাচ বাকি। বেটন কাপ রয়েছে ডিসেম্বরে। যাঁরা টাকা দেবেন বলেছিলেন, সবাই না করে দিয়েছেন। হকি সংস্থার কর্মীদের বেতনও দেওয়া যাচ্ছে না। কিছু কিছু করে পকেট থেকে দেওয়ার চেষ্টা করছি।’

রাজ্য ব্যাডমিন্টনের সংস্থার হাল মোটের উপর কিছুটা ভালো। সচিব শেখর বিশ্বাসের কথায়, ‘টাকা-পয়সা নিয়ে চিন্তা করি না। ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়। একটা ক্যালেন্ডার ইয়ারে ১৫টি টুর্নামেন্ট হয়। কয়েকটা হবে না। তা নিয়ে ভাবছি না, কিন্তু প্রতিভা অন্বেষণের কাজটাই থমকে গেল। ক্ষতিটা এখানেই। একটা বছর পিছিয়ে গেলাম।’ এমনিতে জাতীয় স্তরের সঙ্গে বাংলার খেলা অনেকটা পিছিয়ে। করোনায় ধাক্কায় তা আরও তলিয়ে না যায়, আশঙ্কা সেখানেই।



Source link