৭৩ কোটি টাকায় বিক্রি হল ৫০০ বছরের পবিত্র কুরআন!

0
23
Print Friendly, PDF & Email

পবিত্র কুরআনের প্রতি পাতায় সোনার প্রলেপ। স্বর্ণময় কুরআনের মূল্যবান পাণ্ডুলিপিটি ৭০ লক্ষ পাউন্ডে বিক্রি হয়েছে। যা টাকার অঙ্কে প্রায় ৭৩ কোটি। বিশেষ ধরনের চিনা কাগজে লেখা সাড়ে ৫শ বছরের পুরনো দৃষ্টিনন্দন ‘তিমুরিদ কুরআন’-এর পাণ্ডুলিপিটি দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি আকর্ষণীয়।

সুন্দর ও নিখুঁতভাবে লেখা কুরআনের এ পাণ্ডুলিপি দেখলেই হৃদয়ে অন্য রকম এক শিহরণ জাগ্রত হয়! রঙিন চিনা কাগজে লেখা, এই দুর্দান্ত পাণ্ডুলিপিটি তিমুরিদ রাজবংশের অন্তর্ভুক্ত, যিনি সুন্নি মুসলিম ছিলেন বা তুরকো-মঙ্গোল বংশোদ্ভূত ছিলেন।

কুরআনে ব্যবহৃত রঙগুলোর মধ্যে রয়েছে গাঢ় নীল, ফিরোজা, গোলাপি, বেগুনি, কমলা, সবুজ এবং চাপা সাদা। বহু শতাব্দী ধরে সংরক্ষিত কুরআনের এ পাণ্ডুলিপিটি এখনও দেখতে স্বচ্ছ ও নিখুঁত। খবর পূবের কলম। এটির রঙ ও উজ্জ্বলতা এখনও অক্ষুন্ন রয়েছে।

প্রাচীন এই কুরআনটির নিলাম ২৫ শে জুন ক্রিস্টিস আর্ট অফ ইসলামিক অ্যান্ড ইন্ডিয়ান ওয়ার্ল্ডসে হয়েছিল। এতে ৩৫টি ইরানি কার্পেট, শতরঞ্জিসহ বিভিন্ন শিল্পকর্মও ছিল। ২৬ জুন ‘তিমুরিদ কুরআন’-এর এ পাণ্ডুলিপিটি বিক্রির জন্য তোলা হয়েছিল।

দৃষ্টিনন্দন পাণ্ডুলিপিটি সেখানে ৭০ লক্ষ পাউন্ডে বিক্রি হয়েছে। নিলাম বিশেষজ্ঞরা আগেই ধারণা করেছিলেন যে, এ পাণ্ডুলিপিটি ৮০০ ডলার থেকে বিট শুরু হবে। যার দাম ১.২ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। অবশেষে তা ৭০ লক্ষ পাউন্ডে বা প্রায় ৭.৩ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হল।

জম্মু-কাশ্মীরে গেরিলা হামলায় সিআরপিএফ জওয়ানসহ হতাহত ৪!

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের সোপোরে আধাসামরিক বাহিনী সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (সিআরপিএফ) ওপরে গেরিলা হামলায় একজন হেড কনস্টেবল নিহত হয়েছেন এবং অন্য দুই জওয়ান আহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ হয়ে এক বেসামরিক ব্যক্তিও গুরুতর আহত হন। নিহত হেড কনস্টেবল ১৭৯ ব্যাটালিয়নের জওয়ান ছিলেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, গেরিলারা আচমকা সিআরপিএফ টহলদলের ওপরে আক্রমণ চালালে ওই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

‘আজতক’ হিন্দি টিভি চ্যানেলের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, আজ (বুধবার) সকালে সোপোরের মডেল টাউনে সিআরপিএফের তল্লাশিদলের ওপরে গুলিবর্ষণ করা হয়। সন্ত্রাসীদের পক্ষ থেকে এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণে তিন জওয়ান ও একজন বেসামরিক হতাহত হয়েছে। চারজনকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসা চলাকালীন এক হেড কনস্টেবল মারা যান।

সিআরপিএফের আইজি রাজেশ যাদব বলেন, সন্ত্রাসী হামলায় আমরা হেড কনস্টেবল দীপচাঁদকে হারিয়েছি। এক জওয়ান জীবন যুদ্ধ লড়ছে। তৃতীয় জওয়ান গুলিবিদ্ধ না হলেও অভিযান চলাকালীন তিনি আহত হয়েছেন। উভয় জওয়ানেরই চিকিৎসা চলছে।

এদিকে ওই ঘটনার পরে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, সিআরপিএফ এবং সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকা ঘিরে ফেলে যৌথভাবে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে এবং হামলাকারী গেরিলাদের সন্ধান চলছে।

উপত্যকায় নিরাপত্তা বাহিনী গেরিলাদের নির্মূল করতে একটি অভিযান শুরু করেছে। ওই অভিযানের ফলে গত জুন মাসে ৪৮ গেরিলা নিহত হয়েছে।

অন্যদিকে, আজ সিআরপিএফ দলের ওপরে গেরিলা হামলার মধ্যে ত্রালে নিরাপত্তা বাহিনী এবং গেরিলাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পুলওয়ামা জেলার ত্রালে দুই/তিনজন গেরিলা লুকিয়ে আছে বলে নিরাপত্তাবাহিনী খবর পায়। এরপরে ওই এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। এসময় গেরিলারা নিরাপত্তা বাহিনীর ওপরে গুলিবর্ষণ শুরু করলে নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা গুলিবর্ষণ করে জবাব দিয়েছে। সুত্র: পার্সটুডে

লঞ্চডুবির ঘটনায় পাকিস্তানের শোক

সদরঘাটে লঞ্চডুবির ঘটনায় শোক জানিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশী
মঙ্গলবার (৩০ জুন) এক টুইট বার্তায় শোক জানান তিনি। টুইটে তিনি লিখেন, ‘বাংলাদেশে মর্মান্তিক লঞ্চ দুর্ঘটনায় আমি গভীরভাবে মর্মাহত।

ভ্রাতৃপতিম সরকার ও দেশের জনগণের প্রতি গভীর শোক জানাচ্ছি। দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের জন্য আমরা প্রার্থনা করছি।

প্রসঙ্গত, সোমবার (২৯ জুন) সকাল নয়টার দিকে মুন্সিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা দুই তলা মর্নিং বার্ড লঞ্চটি সদরঘাট কাঠপট্টি ঘাটে ভেড়ানোর আগ মুহূর্তে চাঁদপুরগামী ময়ূর-২ লঞ্চটি ধাক্কা দেয়। এতে সঙ্গে সঙ্গে তুলনামূলক ছোট মর্নিং বার্ড লঞ্চটি ডুবে যায়।

তাৎক্ষণিক উদ্ধার অভিযানে নামে ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনীর সদস্যরা। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলা টানা অভিযানে ৩৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে উদ্ধারকাজ এখনও চলছে।

এ ঘটনায় ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। এছাড়া, মৃত প্রত্যেকের পরিবারকে দেড় লাখ টাকা ও তাৎক্ষণিক ভাবে দাফন করা জন্য ১০ হাজার টাকা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী।
সুত্র: সময় টিভি

সৌদির পর আরব আমিরাতও খুলে দেয়া হচ্ছে মসজিদ!

সৌদি আরবের পর মধ্যপ্রচ্যের আরেক দেশ আরব আমিরাতও মুসল্লিদের জন্য মসজিদগুলো খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার। অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ ও উপাসনা করতে হবে। ১ জুলাই থেকে মসজিদের পাশাপাশি চার্চগুলো খুলে দেয়া হচ্ছে।

তবে সব মসজিদ ও চার্চ একই সঙ্গে খুলছে না। প্রথম দফায় মাত্র ৩০ শতাংশ উপাসনালয় খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমিরাত সরকার। তবে, হাইওয়ে, শিল্পাঞ্চল, শ্রমিকদের নিবাস, বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও পার্কে নামাজ পড়া যাবে না।

এর আগে করোনার বিস্তার রোধে মার্চ থেকে মসজিদসহ অন্য সব ধর্মীয় উপাসনালয়গুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। দেশটিতে এ পর্যন্ত ৩১৪ জন করোনায় মারা গেছেন।

চীনের নুতন ভাইরাসটিও লক্ষণে ভয়ঙ্কর, জেনে নিন উপসর্গগুলো

করোনাভাইরাস মহামারির সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব৷ এরই মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা কোটি ছাড়িয়েছে। মৃত্যু হয়েছে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ মানুষের। এরই মধ্যে বিজ্ঞানীরা নতুন এক ফ্লু ভাইরাস চিহ্নিত করেছেন।

সেই চীনেই মিলেছে নতুন এই ভাইরাস। করোনার মতো এটিও মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করেছেন বিজ্ঞানীরা।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি চিহ্নিত হওয়া নতুন এই ভাইরাসটি শূকর বহন করে। মানুষের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন এই ফ্লু ভাইরাসের নামকরণ হয়েছে জি৪ইএএইচ১এন১।

এটি মানুষের শ্বাসযন্ত্রের মধ্যে বেড়ে উঠতে এবং বিস্তার ঘটাতে পারে। যারা চীনে শূকর এবং কসাইখানায় কাজ করছেন তাদের এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রমাণ মিলেছে।

বর্তমানে যেসব টিকা বাজারে রয়েছে সেগুলো প্রয়োগ করে এই ভাইরাস থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না।
ভাইরাসটির উপসর্গ কী?

গবেষকরা বলছেন, এই ভাইরাসটি ইনফ্লুয়েঞ্জা গোত্রেরই৷ জি৪ জেনোটাইপ নামে জেনেটিক মেটেরিয়াল রয়েছে৷ ২০১৬ সাল থেকে শুয়োরের মধ্যে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস৷

করোনার মতোই জি৪ ভাইরাসও শ্বাসনালিতে সংক্রমণ ঘটায়৷ দ্রুত সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করে৷ এই ভাইরাস আক্রান্তের উপসর্গ হল, হাঁচি, শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, কাশি এবং শরীরের ওজন হঠাত্‍ অনেকটা কমে যাওয়া৷

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, দুঃখের বিষয় জি৪ ভাইরাসের কোনো প্রতিরোধ ক্ষমতা মানুষের দেহে নেই৷

তাই স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখার পরামর্শ দিচ্ছে৷ এর বিরুদ্ধে কোনো হার্ড ইমিউনিটিও নেই এখনো পর্যন্ত৷
সোয়াইন ইন্ডাস্ট্রিতে (শুয়োরের ব্যবসা) কাজ করা মানুষের মাঝে ১০.৪ শতাংশের রক্তে জি৪ পজিটিভ পাওয়া গেছে৷

সমীক্ষায় দেখা গেছে যে ১৮ থেকে ৩৫ বছরের বয়সের অংশগ্রহনকারীদের রক্তে ভাইরাসের পজিটিভ হার প্রায় ২০ শতাংশ। এটা ইঙ্গিত দেয় যে জি৪ স্ট্রেইন মানুষের সংক্রামকতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

গবেষণা বলছে, এই ভাইরাসটি মারাত্মক৷ ভবিষ্যতে মহামারির সৃষ্টি করতে পারে এই ভাইরাস৷ বিশেষ করে যারা পর্ক বা শুয়োরের মাংস খান, তাদের থেকেই ছড়াতে পারে সংক্রমণ৷ এই ভাইরাস শুয়োর থেকে মানুষের শরীরে সংক্রমণ ঘটিয়ে মৃত্যু পর্যন্ত পর্যন্ত হতে পারে৷

চীনে নতুন যে ফ্লু ভাইরাস পাওয়া গেছে তার সঙ্গে ২০০৯ সালে মেক্সিকো থেকে ছড়িয়ে পড়া সোয়াইন ফ্লুর মিল রয়েছে।

এখন পর্যন্ত এটা বড় কোনো হুমকি তৈরি করেনি। কিন্তু ভাইরাসটি নিয়ে গবেষণা করা যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত প্রফেসর কিন-চো চ্যাং এবং তার সহকর্মীরা বলছেন, এর ওপর নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।

প্রফেসর কিন-চো চ্যাং বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা করোনাভাইরাস নিয়ে বিক্ষিপ্ত হয়ে রয়েছি এবং সেটাই সঠিক। কিন্তু আমাদের অবশ্যই নতুন ভাইরাসের সম্ভাব্য বিপদের ওপর থেকে চোখ সরানো চলবে না।

’ নতুন এই ভাইরাসটি এখনই সমস্যা তৈরি করছে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের এটি কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত হবে না।’

২০২০ সালটিকে অনেকেই বলছেন, ভাইরাস ও মহামারির বছর৷ তাই কভিড-১৯ থেকে শিক্ষা নিয়ে জি৪ ভাইরাস সম্পর্কে এখন থেকেই সচেতন হতে হবে বলে মনে করছেন গবেষকরা৷

সূত্র- নিউজ ১৮

Source link

Your 250x250 Banner Code