হযরত আলী (রাঃ) এর মহা মূল্যবান বাণী | কিছু ইসলামিক মূল্যবান বানী

0
212
হযরত আলী (রাঃ) এর মহা মূল্যবান বাণী | কিছু ইসলামিক মূল্যবান বানী
হযরত আলী (রাঃ) এর মহা মূল্যবান বাণী | কিছু ইসলামিক মূল্যবান বানী
Print Friendly, PDF & Email

হযরত আলী (রাঃ) এর মহা মূল্যবান বাণী | কিছু ইসলামিক মূল্যবান বানী

হযরত আলী (রাঃ) এর বানী


অভ্যাসকে জয় করাই পরম বিজয়।
– হযরত আলী (রাঃ)

মানুষের সাথে তাদের বুদ্ধি পরিমাণ কথা বলো।
– হযরত আলী (রাঃ)

সব দুঃখের মূল এই দুনিয়ার প্রতি অত্যাধিক আকর্ষণ।
– হযরত আলী (রাঃ)

যে নিজের মর্যাদা বোঝে না অন্যেও তার মর্যাদা দেয় না!
– হযরত আলী (রাঃ)

কেউ তোমাকে দাম না দিক তুমি তোমার কাজ করে যাও –
– হযরত আলী (রাঃ)

মানুষের চরিত্র সত্য ও সুন্দর হলে তার কথাবার্তাও নম্র ভদ্র হয় ।
– হযরত আলী (রাঃ)

ভদ্রতা উন্নত চরিত্রের লক্ষণ, আর শিষ্টতা উৎকৃষ্ট ইবাদতের লক্ষণ।
– হযরত আলী (রাঃ)

যা তুমি নিজে করো না বা করতে পারো না, তা অন্যকে উপদেশ দিও না।
– হযরত আলী (রাঃ)

শত্রুরা শত্রুতা করতে কৌশলে ব্যর্থ হলে তারপর বন্ধুত্বের সুরত ধরে।
– হযরত আলী (রাঃ)

অসৎ লোক কাউকে সৎ মনে করে না, সকলকেই সে নিজের মতো ভাবে।
– হযরত আলী (রাঃ)

সৎ কাজ অল্প বলে চিন্তা করো না, বরং অল্প টুকুই কবুল হওয়ার চিন্তা কর।
– হযরত আলী (রাঃ)

মনে রেখো তোমার শত্রুর শত্রু তোমার বন্ধু, আর তোমার শত্রুর বন্ধু তোমার শত্রু ।
– হযরত আলী (রাঃ)

বুদ্ধিমান লোক নিজে নত হয়ে বড় হয়, আর নির্বোধ ব্যক্তি নিজেকে বড় বলে অপদস্ত হয়।
– হযরত আলী (রাঃ)

তোমার যা ভাললাগে তাই জগৎকে দান কর, বিনিময়ে তুমিও অনেক ভালো জিনিস লাভ করবে।
– হযরত আলী (রাঃ)

অযাচিত দানই দান, চাহিলে অনেক সময় চক্ষুলজ্জায় লোকে দান করে, কিন্তু তা দান নহে।
– হযরত আলী (রাঃ)

পাপের কাজ করে লজ্জিত হলে পাপ কমে যায়, আর পুণ্য কাজ করে গর্ববোধ করলে পুণ্য বরবাদ হয়ে যায়।
– হযরত আলী (রাঃ)

রাজ্যের পতন হয় দেশ হতে সুবিচার উঠে গেলে, কারণ সুবিচারে রাজ্য স্থায়ী হয়। সুবিচারকের কোন বন্ধুর দরকার হয় না।
– হযরত আলী (রাঃ)

গোপন কথা যতক্ষণ তোমার কাছে আছে সে তোমার বন্দী। কিন্তু কারো নিকট তা প্রকাশ করা মাত্রই তুমি তার বন্দী হয়ে গেলে।
– হযরত আলী (রাঃ)

আপনার দ্বারা নেক কাজ সাধিত হলে আল্লাহ তা’আলার প্রশংসা করুন এবং যখন অসফল হবেন তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন।
– হযরত আলী (রাঃ)

বুদ্ধিমানেরা কোনো কিছু প্রথমে অন্তর দিয়ে অনুভব করে, তারপর সে সম্বন্ধে মন্তব্য করে। আর নির্বোধেরা প্রথমেই মন্তব্য করে বসে এবং পরে চিন্তা করে।
– হযরত আলী (রাঃ)

অত্যাচারীর বিরুদ্ধে অত্যাচারিতের অন্তরে যে বিদ্বেষাগ্নির জন্ম হয়, তা অত্যাচারীকে ভস্ম করেই ক্ষান্ত হয় না, সে আগুনের শিখায় অনেক কিছুই দগ্ধীভূত হয়।
– হযরত আলী (রাঃ)

অজ্ঞদেরকে মৃত্যুবরণ করার পূর্বেই মৃত অবস্থায় কাল যাপন করতে হয় এবং সমাধিস্থ হবার পূর্বেই তাদের শরীর কবরের আঁধারে সমাহিত; কেননা তাদের অন্তর মৃত, আর মৃতের স্থান কবর।
– হযরত আলী (রাঃ)

কখন বুঝবে একটি দেশ ও সমাজ নষ্ট হয়ে গেছে? যখন দেখবে
1. দরিদ্ররা ধৈর্য্যহারা হয়ে গেছে,
2. ধনীরা কৃপণ হয়ে গেছে,
3. মূর্খরা মঞ্চে বসে আছে,
4. জ্ঞানীরা পালিয়ে যাচ্ছে এবং
5. শাসকরা মিথ্যা কথা বলছে।
– হযরত আলী (রাঃ)