সপ্তম শ্রেণি | কৃষি শিক্ষা | ষষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান

Table of Contents (সূচিপত্র)

সপ্তম শ্রেণি | কৃষি শিক্ষা | ষষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান

6th week | Assignment Answer For Class 7 Agricultural Science

 

আপনার ৬ষ্ঠ সপ্তাহের কার্যভার প্রস্তুত হয়ে গেছে। আপনারা সবাই ইতিমধ্যে আপনার অ্যাসাইনমেন্টের বিষয়গুলি প্রথম সপ্তাহ থেকে পঞ্চম সপ্তাহ পর্যন্ত শেষ করেছেন। এখন 6th সপ্তাহের কার্যভারের জন্য প্রস্তুত হোন। অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং আমাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনি অ্যাসাইনমেন্টের বিষয়গুলি সহজেই চেক এবং ডাউনলোড করতে সক্ষম হবেন।

ক্লাস ৬ অ্যাসাইনমেন্ট ৬ষ্ঠ সপ্তাহ এর উত্তর পত্র গুলো পেতে আমাদের ওয়েবসাইট সাবস্ক্রাইব বা ফলো করে রাখুন ।

আপনি ইতিমধ্যে আপনার প্রথম সপ্তাহের পঞ্চম সপ্তাহের ক্লাস অ্যাসাইনমেন্টের কাজ পেয়ে গেছেন। ৬ষ্ঠ সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট শীঘ্রই ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হবে। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা আজ ৬ষ্ঠ শ্রেণির কৃষি শিক্ষার অ্যাসাইনমেন্ট প্রস্তুত করেছি ।

 

 

ক)‍ফসলের মৌসুম বলতে কি বুঝ ?

একটি ফসল বীজ বপন থেকে শুরু করে তার শারীরিক বৃদ্ধি ও ফুল-ফল উৎপাদনের জন্য যে সময় নেয় তাকে ঐ ফসলের মৌসুম বলে। অর্থাৎ কোন ফসলের বীজ বপন থেকে ফসল সংগ্রহ পর্যন্ত সময়কে সে ফসলের মৌসুম বলে। বাংলাদেশের জলবায়ুর উপর নির্ভর করে বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের ফসল জন্মে।

ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে প্রধানত দু’টি মৌসুমে ভাগ করা হয়েছে। যেমনঃ
১. রবি মৌসুম এবং
২. খরিপ মৌসুম

 

খ) রবি মৌসুম ও খরিপ মৌসুমের মধ্যে পার্থক্য কী?

রবি মৌসুম ও খরিপ মৌসুমের মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে । নিম্নে পার্থক্য গুলো বর্ণনা করা হলোঃ

 

রবি মৌসুম

খরিপ মৌসুম

আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কে রবি মৌসুম বলে।

চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে।

রবি মৌসুমের প্রথম দিকে কিছু বৃষ্টিপাত হয় তবে তা কম।

খরিপ মৌসুমে বিশেষ করে আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাসে পর্যন্ত প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।

রবি মৌসুমে তাপমাত্রা ও বায়ুর আদ্রতা কম থাকে।

খরিপ মৌসুমে তাপমাত্রা ও বায়ুর আদ্রতা বেশি থাকে

গ) মুরগির দেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান গুলো কী কী?

মুরগির দেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান গুলো কী কী?

মুরগি পালনে, মুরগির খাদ্য হচ্ছে অত্যাবশ্যকীয় ও অন্যতম প্রধান বিষয়। বসতবাড়িতে মুক্ত বা ছাড়া পদ্ধতিতে পালন করা মুরগি খাবারের বর্জ্য, ঝরা শস্য, পোকামাকড় ইত্যাদি খেয়ে জীবন ধারণ করে। তাই এরা পরিমিত সুষম খাবার পায় না। তাই মুরগির পরিমিত সুষম খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য পুষ্টি উপাদানগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

১. শর্করাঃ শর্করা মুরগির দেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয় একটি পুষ্টি উপাদান। তাই মুরগিকে শর্করা জাতীয় খাবার যেমনঃ গম, ভুট্টা, চালের খুদ, চালের কুড়া, গমের ভুষি ইত্যাদি খাওয়ানো প্রয়োজন।

২. পানিঃ মুরগি প্রচুর পরিমাণ পানি পান করে। তাই মুরগির খামারে পানীয় ব্যবস্থা রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিশুদ্ধ পানি মুরগিকে খাওয়াতে হবে।

৩. আমিষঃ মুরগির পর্যাপ্ত শর্করা খাবারের পাশাপাশি আমিষ জাতীয় খাবার যেমনঃ সয়াবিন মিল, তিলের খৈল, সরিষার খৈল, শুটকি মাছের গুড়া প্রভৃতি খাওয়াতে হবে।

৪. ভিটামিনঃ ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার ও শাকসবজি মুরগির দেহের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই মুরগিকে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন জাতীয় খাবার খাওয়াতে হবে।

৫. খনিজঃ খনিজ লবণ মুরগির দেহের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই মুরগিকে খনিজজাতিয় খাবার যেমনঃ খাদ্য লবণ, হাড়ের গুঁড়া, ঝিনুক ও শামুকের গুঁড়া খাওয়াতে হবে।

ঘ)মুরগির খামারে খাদ্য ও পানি কেন গুরুত্বপূর্ণ

মুরগি পালনে মুরগির খাদ্য হচ্ছে অত্যাবশ্যকীয়। তাছাড়া মুরগি প্রচুর পরিমানে পানি পান করে। তাই মুরগি খামারে খাদ্য ও পানি দুটোই গুরুত্বপূর্ণ।

মুরগির খাদ্য উপাদানে পর্যাপ্ত পরিমান শর্করা, আমিষ, খনিজ লবণ, স্নেহ ও ভিটামিন জাতীয় খাবার থাকা প্রয়োজন। সুষম খাবারে মুরগির দেহের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানগুলো উপস্থিত থাকে।বসতবাড়িতে মুক্ত বা ছাড়া পদ্ধতিতে পালন করা মুরগি খাবারের বর্জ্য, ঝরা শস্য, পোকামাকড় ইত্যাদি খেয়ে জীবন ধারণ করে। তাই এরা পরিমিত সুষম খাবার পায় না।

যার ফলে মুরগি থেকে প্রত্যাশিত ডিম ও মাংস পাওয়া যাবে না। বাচ্চা মুরগি দৈনিক ১০ থেকে ১৫ গ্রাম এবং প্রাপ্ত বয়স্ক মুরগি প্রায় ১০০ থেকে ১২০ গ্রাম খাদ্য খেয়ে থাকে।

তাছাড়া মুরগি প্রচুর পরিমানে পানি পান করে থাকে। তাই খামারে পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ থাকতে হবে। প্রাপ্ত বয়স্ক মুরগিকে দৈনিক ২০০ মিলিলিটার বিশুদ্ধ পানি দিতে হয়। তাই মুরগির খামারে খাদ্য ও পানি গুরুত্বপূর্ণ।

নির্ধারিত কাজ : কাঁঠাল গাছ সম্পর্কে নিচের ছকটি পূরণ কর

পর্যবেক্ষণের বিষয়গাছের বৈশিষ্ট্য
ক। কী ধরনের উদ্ভিদক। কাঁঠাল একটি দ্বি-বীজপত্রী, কাষ্ঠল ও চিরহরিৎ বৃক্ষ
খ। কাণ্ডের বৈশিষ্ট্যখ। কাণ্ড শক্ত হলুদ রঙের হয় এবং ২১ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়।
গ। বীজের বর্ণগ। বীজ সাদা বর্ণের।
ঘ। ফুলের বর্ণঘ। ফুল সবুজ বর্ণের হয়।
ঙ। কোথায় কোথায় চাষ হয়ঙ। সিলেট, চট্রগ্রাম ও রংপুর, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ
চ। কেমন মাটিতে চাষ হয়।চ। পলি-দোআঁশ বা অল্প লাল মাটির উঁচু জমিতে কাঁঠাল চাষ ভালো হয়।

YouTube এ সকল অ্যাসাইনমেন্টের সমধান পেতে আমাদের অফিসিয়াল YouTube চ্যানেলটিতে এখনি সাবস্ক্রাইব করো।
আমাদের চ্যানেলঃ 10 Minute Madrasah

প্রশ্ন প্রকাশ হলে সবগুলো বিষয়ের উত্তর দেওয়া হবে। তাই তোমরা পেজটি সেভ বা বুকমার্ক  করে রাখো।

আপডেট পাওয়ার জন্য আমাদের ফেসবুক পেইজে যুক্ত থাকো

আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন।

Join Our Facebook Group

This post was last modified on December 6, 2020 12:42 pm

Recent Posts

বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে কোথায় নেওয়া হয়?

ক্ষমতা হস্তান্তর প্রশ্নে ১৯৭১ সালের ১৬ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার বৈঠক… Read More

5 hours ago

কবে শেষবার গ্রেফতার হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু?

রাজনৈতিক কারণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বহুবার গ্রেফতার করা হয়েছে। এমনকি টানা বছরের পর বছরও… Read More

1 day ago

হাদীসচর্চায় নারীদের অবদান কেমন?

হাদীসচর্চায় মহিলা শিক্ষাবিদদের অবদান হাদীসচর্চায় নারীদের অবদান কেমন? ইসলামের শুরু থেকে পরবর্তীতে কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত… Read More

1 day ago

বঙ্গবন্ধু প্রথম কবে তাঁর বাসভবনে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন?

ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব দিবস উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন। ওই দিন… Read More

2 days ago

তাঁদের আলোচনা কতক্ষণ স্থায়ী হয়?

ক্ষমতা হস্তান্তর প্রশ্নে ১৯৭১ সালের মার্চে আওয়ামী লীগের প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে দফায়… Read More

3 days ago

প্রথম দফায় আলোচনা শুরু হয় কবে?

১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলনের পটভূমিতে ঢাকার প্রেসিডেন্ট ভবনে (বর্তমান স্টেট গেস্ট হাউজ সুগন্ধা) প্রেসিডেন্ট… Read More

4 days ago