লকডাউন ভেঙে বাংলায় গ্রেফতার ৪০ হাজার : পুলিশ – Kolkata24x7

0
10
Print Friendly, PDF & Email

ফাইল ছবি

কলকাতা : ২৫শে মার্চ লকডাউন শুরু হওয়ার দিন থেকে ৪০ হাজার জনকে গ্রেফতার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। নিজেদের ফেসবুক পেজে এমনই খতিয়ান দিয়েছেন তাঁরা। লকডাউন ভাঙার জন্য ও নিয়ম না মানার জন্য এদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। এছাড়াও জানানো হয়েছে ৩৬১৪টি গাড়িকে আটক করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।

লকডাউন না মানার জন্য মোট ৪০৭২৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার ট্যুইট করে একথা জানানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে স্ট্যান্ড অ্যালোন দোকানগুলি ছাড়া আর কোনও দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হবে না। নিয়ম ভঙ্গ হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানানো হয়েছে কনটেনমেন্ট জোন ছাড়া ছোট গাড়িতে ৩জনের বেশি যাতায়াত করা যাবে না।

গ্রিন জোনের জেলাগুলিতে বাস চলাচল করতে পারবে, তবে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে। বাড়িতে বসে কাজ করার আবেদন করেছেন পুলিশ। বাইরে বেরোলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক বলে জানানো হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখারও আবেদন জানানো হয়েছে।

এরই মধ্যে মঙ্গলবার কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ৮০০ জনেরও বেশি মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে লকডাউন ভাঙার জন্য। ৯টি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ৮৩৩জন গ্রেফতার হয়েছে বলে খবর। এর মধ্যে ৬৫২ জন লকডাউনের নিয়মভঙ্গের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে।

১৫২জনকে মাস্ক না পরার অপরাধে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রকাশ্যে থুথু ফেলার জন্য ধৃত হয়েছেন ২৯জন। এদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৮৮ ধারা ও ৫৪ ডিএম অ্যাক্ট অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও জানানো হয়েছে মানিকতলা এলাকায় রাস্তার পাশে দোকান খোলার জন্য এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উল্লেখ্য মানিকতলা কনটেনমেন্ট জোনের আওতাধীন।

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব পুণ্য শালিলা শ্রীবাস্তব জানান, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে জমায়েত করা যেতে পারে। তবে তা প্রযোজ্য শুধু বিয়ে বা শেষকৃত্যের ক্ষেত্রে। বিয়ের ক্ষেত্রে আমন্ত্রিতের সংখ্যা হবে ৫০। শেষকৃত্যে ২০ জনের বেশি জমায়েত করতে পারবেন না।

১৫ই মার্চ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়ে ছিল, শেষকৃত্যের জমায়েত করা যাবে না। কারণ এতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব নয়। এতে সংক্রমণ ছড়ানোর ও অনেক বেশি সংখ্যায় সংক্রামিত হওয়ার ভয় থাকে। করোনায় মৃতের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচজনকে শেষকৃত্যে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।



Source link