বেতন কাটা হবে না, জোর দেওয়া হবে ডিজিটাল বিক্রিতে: মারুতি চেয়ারম্যান – Kolkata24x7

0
9
Print Friendly, PDF & Email

নয়াদিল্লি: মারুতি সুজুকি ইন্ডিয়া ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ২৭০০ কোটি টাকার মূলধনী বাজেটের জন্য বরাদ্দ করেছে। দেশের এই বৃহৎ গাড়ি সংস্থাটির গাড়ি উৎপাদন এবং বিক্রি গত মার্চ-এপ্রিল মাসে রীতিমতো ব্যাহত হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে সংস্থার চেয়ারম্যান আর সি ভার্গভ জানিয়েছেন, করোনা পরবর্তী সময়ে কেমন অবস্থা হবে এত তাড়াতাড়ি বলা যাচ্ছে না। কিন্তু একটা প্রবণতা রয়েছে ছোট গাড়ির দিকে । ছয় সপ্তাহ বাদে এই বিষয়ে চিত্রটা পরিষ্কার হবে বলে তিনি মনে করছেন।

১২মে থেকে মারুতির মানেসর কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়েছে । পাশাপাশি চেয়ারম্যান আশা করছেন কয়েকদিনের মধ্যেই গুরগাঁও কারখানা চালু হবে। হরিয়ানায় অবস্থিত এই দুই কারখানা পুরোদমে কাজ হলে মোট উৎপাদন ক্ষমতা বছরে ১৫.৫ লক্ষ গাড়ি।

এদিকে এই গাড়ি সংস্থার চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, গুজরাটের কারখানা চালু করতে সময় লাগবে যেহেতু ওই কারখানার আশেপাশে গ্রামে বহু মানুষ আক্রান্ত হয়েছে।

করোনা ভাইরাসকে আটকাতে লকডাউন জারি করা হয়েছে। এর ফলে রীতিমত অসুবিধায় পড়েছে পরিযায়ী শ্রমিকরা। এই প্রসঙ্গে ভার্গভ জানিয়েছেন, পরিযায়ী শ্রমিকরা চলে যাওয়ায় তাদের যত না অসুবিধা হয়েছে তার চেয়েও বেশি অসুবিধায় পড়েছে বিভিন্ন ভেন্ডার সংস্থাগুলি।‌ একইসঙ্গে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, মারুত সুজুকি শ্রমিকদের কোনরকম বেতন কাটছে না।

ভার্গভের মতে, এখন গাড়ির ক্ষেত্রে জিএসটি কমানোর কোনও‌ মানে হয় না কারণ এখন উৎপাদন খুবই কম হচ্ছে। তার মতে, জিএসটি কমানো তখনই প্রাসঙ্গিক হবে যখন পুরোদমে উৎপাদন শুরু হবে পাশাপাশি চাহিদার জন্য সরবরাহ বাড়বে।

এদিকে এই পরিস্থিতিতে মারুতি কর্তা জানিয়েছেন, তারা ডিজিটাল মাধ্যমকে ব্যবহার করে গাড়ি বিক্রি করার দিকে জোর দিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই এই গাড়ি সংস্থায় ৫০০০ বুকিং হয়েছে ডিজিটাল মাধ্যমে।

বর্তমানে মারুতি সুজুকি ৩০৮০ ডিলার রয়েছে ১৯৬০টি জায়গায়। এদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ খুলেছে যাদের মধ্যে ৬০ শতাংশ হল গ্রামীণ এলাকায়।



Source link