পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের ফজিলত ও হাকীক্বত ! পর্ব -৩

0
333
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের ফজিলত ও হাকীক্বত পর্ব ৩
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের ফজিলত ও হাকীক্বত পর্ব ৩

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের ফজিলত ও হাকীক্বত ! পর্ব -৩

⏩ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সর্বপ্রথম কে , কখন , পড়েছেন?

رأيت فى النزهة للنسا بورى رحمه الله ان ادم عليه السلام هبط ليلا فلما طلع الفجر ركع ركعتين شكر الله تعالى على خروحه من الظلمة الى النور
وابراهيم عليه السلام اجتمع عليه اربع هموم هم الذبح وهم الفداء واداء الامروالغربة فلما انقذه الله من ذلك ركع اربع ركعات بعد الزوال
شكر الله
ويونس عليه السلام اجتمع عليه اربع ظلمات ظلمة الغضب منه على قومه وظلمة الليل وظلمة البحر وظلمة بطن الحوت كان فى بطن حوت اخر فلما اخرجه الله من ذلك وقت العصر ركع اربع ركعات-
وعسى عليه السلام ركع ركعتين شكر الله تعالى على نفى الالهية عنه وامه رلعت ركعت شكر الله على اثباتها الله تعالى –
وموسى عليه السلام صلى اربع ركعات شكرالله تعالى على خروخه من اربعة هموم هم الضلاله عن الطريق وهم غنمه لما هربت وهم السفر وهم زوجته لما اخذها الطلق-

10-Minute-Madrasah-Group-Join

অর্থঃ হযরত ইমাম যনদস্তী (রঃ) তার প্রসিদ্ধ কিতাব (রাওজার) তে ও হযরত সমরকন্দি (রঃ) ও নকল করেন, আমি আবুল ফজল থেকে জিজ্ঞাসা করেছি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সর্বপ্রথম কে, কখন আদায় করেছেন?


‘আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক’
প্রবন্ধের লেখা অপরিবর্তন রেখে এবং উৎস উল্লেখ্য করে আপনি Facebook, Twitter, ব্লগ, আপনার বন্ধুদের Email Address সহ অন্য Social Networking ওয়েবসাইটে শেয়ার করতে পারেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন।

“কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা” [সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪]


উনি উত্তর দিলেন, ফজরের নামাজের ফজিলত ও হাকীক্বত: ফজরের নামাজ সর্বপ্রথম হযরত আদম (আঃ) আদায় করেন। আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাত থেকে এই দুনিয়ায় রাতের অন্ধকারে অবতরন করান। জান্নাত নুরের তৈরী সেখানে নুর আর নুর অন্ধকার বলতে কিছুই নেই। দুনিয়ার অন্ধকার দেখে উনি ভয় পেয়ে গেলেন।

নামাজের ফজিলত সম্পর্কে কোরআনের বানী সমূহ মিস করছেন?

আর যখন সকাল হল চারপাশে আলো ছড়িয়ে যায়, উনি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করলেন। দুই অন্ধকার ( একটা দুনিয়ার একটা রাতের) চলে যাওয়ার কারণে দুই রাকায়াত নামাজ পড়লেন। উম্মতে মুহাম্মদী(ﷺ)যারা এই দুই রাকায়াত ফজরের নামাজ পড়বে আল্লাহ তাদের গুনাহের অন্ধকার দূরভীত করে আনুগত্যের নুর দান করবে।

যোহরের নামাজের ফজিলত ও হাকীক্বত: যোহরের নামাজ সর্বপ্রথম আদায় করেন আল্লাহর খলিল হযরত ইব্রাহীম (আঃ) যখন আল্লাহ তায়ালা উনাকে চারটি নেয়ামত দান করলেন । তাহলো ১) নিজ সন্তানের কুরবানী থেকে মুক্তি ২) জান্নাত থেকে ফিদিয়া বা দুম্বা নাজিল করা ৩) আল্লাহ তায়ালা তার উপর সন্তুষ্ট হয়ে যাওয়া ৪) উনার ছেলে তলোয়ারের নিচে মাথাকে সোপর্দ করার মাধ্যমে উনার আনুগত্য স্বীকার করা।

উম্মতে মুহাম্মদী(ﷺ)যারা এই চার রাকায়াত যোহরের নামাজ পড়বে আল্লাহ তাদেরকেও চারটি নেয়ামত দান করবেন। তা হল ১) নফস শয়তানকে হত্যা করার তৌফিক দান করবেন ২) পেরেশানী থেকে রেহাই দান করবেন ৩) ইহুদী ও নাসারাদেরকে জাহান্নামে দিয়ে তাদেরকে মুক্তি দান করবেন ৪) তাদের প্রতি তাদের প্রতিপালক রাজী হয়ে যাবেন।

আছরের নামাজের ফজিলত ও হাকীক্বত: সর্বপ্রথম আছরের নামাজ আদায় করেন হযরত ইউনুচ (আঃ) যখন আল্লাহ তায়ালা চারটি অন্ধকার থেকে মুক্তি দান করেন। ১) তার পক্ষ থেকে রাগান্নিত হওয়া জাতির অন্ধকার ২) রাতের অন্ধকার ৩) সমুদ্রের অন্ধকার ৪) মাছের পেটের অন্ধকার ।

উম্মতে মুহাম্মদী (ﷺ) যারা এই চার রাকায়াত নামাজ আদায় করবে তাদেরকে রাব্বুল আলামীন চারটি অন্ধকার থেকে মুক্তি দান করবেন। ১) কবরের অন্ধকার ২) গুনাহের অন্ধকার ৩) কিয়ামতের অন্ধকার ৪) জাহান্নামের অন্ধকার।

মাগরীবের নামাজের ফজিলত ও হাকীক্বত: মাগরীবের নামাজ সর্বপ্রথম আদায় করেন হযরত ঈসা (আঃ) যখন তাকে ও তার আম্মাকে খোদা বলা থেকে মানুষ বিরত থাকে এবং এক আল্লাহর একত্ববাদকে স্বীকার করে। উম্মতে মুহাম্মদী (ﷺ) যারা এই তিন রাকায়াত নামাজ আদায় করবে আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে তিনটি নিয়ামত দান করবেন।

১) কিয়ামতের ময়দানে হিসাব সহজ হয়ে যাবে,যে দিন দুনিয়ার দিনের পঞ্চাশ হাজার বছরের সমান হবে। ২) জাহান্নাম থেকে মুক্তি দান করবে ৩) কিয়ামতের ভয়াবহ অবস্থা থেকে মুক্তি পাবে।


সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে সহজ পদ্ধতিতে আরবি শিক্ষা | সহজ পদ্ধতিতে শিক্ষক ছাড়া কুরআন শিক্ষা


ইশার নামাজের ফজিলত ও হাকীক্বত: ইশার নামাজ সর্বপ্রথম আদায় করেন আল্লাহ তায়ালার কলিম হযরত মুছা (আঃ)। যখন আল্লাহ তাকে চারটি পেরেশানী থেকে মুক্তি দান করেন । ১)মাদায়ন শহর থেকে আসার পথে রাস্তা হারিয়ে ফেলার পেরেশানী ২) তার ছাগল হারিয়ে যাওয়ার পেরেশানী ৩) ভ্রমণের পেরেশানী ৪) তার স্ত্রী হারিয়ে যাওয়ার পেরেশানী।

রাতের অন্ধকারে যখন পাহাড়ে গেলেন উপরোক্ত পেরেশানী দূর হয়ে যায় এবং উনি আল্লাহর দীদার পান। উম্মতে মুহাম্মদী (ﷺ) যারা এই চার রাকায়াত নামাজ আদায় করবে আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে চারটি নিয়ামত দান করবেন । ১) সিরাতে মুস্তাকিমে অঠল রাখবেন।২) যে কোন সমস্যার সমাধান করে দেবেন ৩) মাহবুবে হাকীকী তথা বাস্তব বন্ধুর সাথে সাক্ষাত দেবেন ৪) শত্রু থেকে মুক্তি দান করবেন । ( ফতোয়ায়ে রজভীয়া ২য় খন্ড ১৬৬ পৃষ্ঠা)


عن جعفر بن محمد عن ابيه عن جده عن على بن ابى طالب ع صلى الله عليه وسلم الصلواة مرضات للرب وحب اللملايكة وسنة الانبياء ونور المعرفة واصل الايمان واجابة الدعاء وقبول الا عمال وبركة فى الرزق وسلاح على الاعداء وكراهية للشيطان وشفيع بين صاحبها وبين ملك الموت ونور فى قلبه وفراش تحت جنبه وجواب منكر ونكير ومونس وزاير معه فى قبره الى يوم القيامة فاذا كانت القيامة كانت الصلوة ضلا فوقه وتاجا على راسه ولباسا على بدنه ونورا يسعى بين يديه وسترا بينه وبين النار وحجة للمؤمنين بين يدى رب العالمين وشقلا فى الميزان وجوازا على الصراط ومفتاحا للحنة لان الصلوة تحميد وتسبيح وتقد يس وتعظيم وقرائة ودعاء وتمجيد ولا ن افضل الاعمال كلها الصلوات لوقتها( نزهة المجالس ج ا صف ١٠٢)

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের ফজিলত ও হাকীক্বত ! পর্ব -২

অর্থঃ হযরত জাফর বিন মুহাম্মদ (রঃ) তার পিতা থেকে , তিনি তার দাদা থেকে , তিনি হযরত আলী বিন আবু তালেব (রঃ) থেকে, তিনি রাসুল (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, নামাজ আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টির মাধ্যম , ফেরেশতাদের প্রিয় , নবীদের সুন্নাত, মারফতের নুর , ঈমানের মূল , দোয়া কবুলের মাধ্যম , আমল কবুল হওয়ার মাধ্যম, রিযিকের মধ্যে বরকত হওয়ার মাধ্যম , শত্রুদের বিরূদ্ধে অস্ত্র সরূপ, শয়তানের অপছন্দনীয় কাজ, মালাকুল মওতের কাছে সুপারিশ কারী, ক্বলবের আলো, আদায়কারীর কবরে বিছানা সরূপ, মুনকির নকিরের উত্তরের মাধ্যম , কিয়ামত পর্যন্ত প্রিয় বন্ধু সরূপ থাকবে।

আর যখন কিয়ামত কায়েম হবে তার মাথার উপর ছায়া ও তাজ হবে, শরীরের পোশাক সরূপ হবে , সামনে নুর হয়ে থাকবে , আদায়কারী ও জাহান্নামের মধ্যখানে পর্দা সরূপ দাঁড়াবে, আল্লাহ তায়ালার কাছে মুমিনদের পক্ষে দলিল সরূপ হবে, দাড়ি পাল্লায় ভারী হবে, পুলসিরাত পারাপারের মাধ্যমে ও জান্নাতে প্রবেশের চাবি হবে, কেননা নামাজ হলো তাহমিদ, তাসবীহ, তাকদিছ, তাজিম, ক্বেরাত, দোয়া ও তামজিদের সমষ্টি। তাই রাসুল (ﷺ) বলেন, সর্বশ্রেষ্ঠ আমল হলো সময়মতো নামাজ আদায় করা (নুযহাতুল মাজালিস ১ম খন্ড, ১০২ পৃষ্ঠা)


من حفظ منكم على الصلوات الخمس حيث كان واين كان جاز الصراط يوم القيامة كا لبرق اللامع فى اول زمرة السابقين وجاء يوم القيامة ووجهه كا لقمر ليلة البدر وكان له كل يوم وليلة حفظ عليهن اجر شهيد( روح البيان ج٦صف٣٨)

অর্থঃ রাসুলে করিম (ﷺ) ইরশাদ করেন, আমাদের মধ্যে যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ যেখানে সুযোগ হয় আদায় করে নেয় এই নামাজ কিয়ামতের ময়দানের পুলসিরাত পার হওয়ার মাধ্যম এবং প্রথম সারির বান্দাদের সাথে বিজলীর মতো দ্রুত পার হয়ে যাবে। কিয়ামতের ময়দানে যখন উঠবে পূর্ণিমার চাঁদের ন্যায় তার চেহারাটা উজ্জল থাকবে। এবং যে ব্যক্তি প্রত্যেহ নামাজ আদায় করবে আল্লাহ তায়ালা তাকে শহীদের সাওয়াব দান করবেন।(রুহুল বয়ান ৬ষ্ঠ খন্ড ৩৮ পৃষ্ঠা)


নামাজের ফজিলত সম্পর্কে হাদিসে পাকের বাণী জেনে নিন


اذا كان يوم القيامة امر بطبقات المصلين الى الجنة فتأتى اول زمرة كالشمس فتقول الملائكة من انتم قالوا نحج المحا فظون على الصلوة قالوا كيف كانت محا فظتكم على الصلوة ؟ قالوا كنا نسمع الاذان ونحن فى المسجد –
ثم تأ تى زمرة اجرى كالقمر ليلة البدر فتقول الملائكة من انتم قالوا نحن المحافظون على الصلوة قالوا كنا نتوضأ قبل الوقت ثم نحضرمع سماع الاذان –
ثم تأ تى زمرة اجرى كالكو اكب فتقول الملائكة من انتم قالوا نحن المخافظون على الصلوة قالوا كيف كانت محافظتكم على الصلوة قالوا كنا نتوضأ بعد الاذان -( نزهة المجالس)

অর্থঃ রাসুলে করিম (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, যখন কিয়ামত কায়েম হবে রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে আদেশ হবে মুসল্লিদেরকে জান্নাতে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে, তাদের বিভিন্ন মর্যাদা প্রকাশ করে, এক দল দেখা যাবে সূর্যের ন্যায় আলোকিত , ফেরেশতা জিজ্ঞেস করবে তোমরা কারা? তারা বলবে আমরা নামাজকে হিফাজত করেছিলাম ।

ফেরেশতারা বলবে তোমাদের হিফাজত টা কি রকম ছিল? তারা বলবে আমরা আজান শুনতাম মসজিদে বসে ।আরেক দলকে নিয়ে যাওয়া হবে তাদের চেহেরা হবে চৌদ্দ তারিখের উজ্জল চাঁদের মতো, ফেরেশতারা বলবে তোমরা কারা ? তারা বলবে আমরা নামাজকে হিফাজত করতাম, ফেরেশতারা বলবে কিভাবে ?

তারা বলবে আমরা অযু করতাম নামাজের সময় আসার আগে আর মসজিদে হাজির হতাম আজান শুনে শুনে।আরেক দলকে নিয়ে যাওয়া হবে তাদের চেহেরা হবে নক্ষত্রের মতো উজ্জল, ফেরেশতারা বলবে তোমরা কারা ? তারা বলবে আমরা নামাজকে হিফাজত করতাম, ফেরেশতারা বলবে কিভাবে ? তারা বলবে আমরা অযু করতাম নামাজের জন্য আজান শুনার পরে।( নুযহাতুল মাজালিস)

ذكر السمر قندى ان ابليس صاح عند نزول الصلوة فا جتمع اليه جنوده فا خبرهم بذالك فقالوا ما الحيلة؟ قال اشغلوهم عن مواقيتها فان الرحمة تنزل اول وقتها قالوا فان لم نستطع قال اذا دخل احدهم فى الصلوة فاليقم حوله اربعة منكم واحد عن يمينه فيقول انظر الى يمينك وواحد عن شماله فيقول انظر الى شمالك واخر فوقه فيقول انظر فوقك واخر تحته فيقول انظر تحتك عجل عجل فان لم يفعل كتبت له هذه الصورة اربعماة صلوة ( نزهة المجالس)

অর্থঃ হযরত আবুল লাইস সমর কান্দি (রঃ) উল্লেখ করেছেন, নামাজের সময় যখন হয় ইবলিস চিৎকার করে, অতঃপর তার সৈন্যরা একত্রিত হয়ে যায় তাদেরকে চিৎকারের কারণ বলে , তখন তারা বলে এখন উপায় কি ? ইবলিস বলে তোরা উম্মতে মুহাম্মদীকে নামাজ থেকে বিরত রাখ,যাতে তারা সময় মোতাবিক নামাজ পড়তে না পারে ।

কারণ ওয়াক্ত আসার সাথে সাথে আল্লাহর রহমত ও নাজিল হয়, তার সৈন্যরা বলে আমরা যদি বিরত রাখতে সক্ষম না হয়? ইবলিস বলে তারা যদি নামাজে প্রবেশ করে তোমরা চারজন চারপাশে দাঁড়াবে একজন ডানপাশে সে বলবে (মুসল্লিকে) ডান দিকে দেখ, আর একজন বাম দিকে সে বলবে বাম দিকে দেখ, অন্যজন উপরে,সে বলবে উপরে দেখ , অন্য জন নিচে দাঁড়াবে সে বলবে নিচে দেখ, আর মুসল্লি যদি তোমাদের কথা না শুনে , তার নামাজ একনিষ্ঠতার সাথে আদায় করে, এ নামাজে চারশত নামাজের সাওয়াব দেওয়া হবে, তোমরা তাড়াতাড়ি যাও , এভাবে আদেশ করে ইবলিস তার সৈন্যদেরকে।( নুযহাতুল মাজালিস )

চলবে…

আরো পড়ুন

সাদাকাতুল ফিতর কী এবং সাদাকাতুল ফিতরের পরিমাণ : কিছু কথা (ভিডিও সহ)

ইতিকাফের বিভিন্ন মাসয়ালা মাসায়েল জেনে নিন ( ভিডিও সহ )

রূহের  অবস্থান-  কিতাবুর রূহ্  এর বর্ণনা

রোজার মাসয়ালা-মাসায়েল জেনে নিন

চল্লিশ হাদিস মুখস্ত করার ফযিলত পর্ব-২