দ্বীনের পূর্ণাঙ্গতা – কৃতঃ-মুহাম্মদ ফায়সাল খাঁন

0
418
দ্বীনের পূর্ণাঙ্গতা - কৃতঃ-মুহাম্মদ ফায়সাল খাঁন
দ্বীনের পূর্ণাঙ্গতা - কৃতঃ-মুহাম্মদ ফায়সাল খাঁন

♦♦♦দ্বীনের পূর্ণাঙ্গতা ♦♦♦

কৃতঃ-মুহাম্মদ ফায়সাল খাঁন


ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। যাতে কোন ধরনের অপূর্ণাঙ্গতা বা ঘাটতি নেই। ইসলাম ধর্মেই নিহিত রয়েছে মানবতার মুক্তি।তাই আল্লাহ পাক তার পবিত্র কালামে ইরশাদ করেনঃ


♦♦ اليوم اكملت لكم دينكم واتممت عليكم نعمتى ورضيت لكم الاسلام دينا
অর্থঃ আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করলাম তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামত পরিপূর্ণ করলাম।আর তোমাদের জন্য ইসলামকে দ্বীন হিসেবে মনোনীত করলাম।(সুরা মায়িদাহঃ৩)
ইসলামই একমাত্র হক ও আল্লাহর মনোনীত ধর্ম।তাই তিনিই মানব জাতীর জন্য ইসলামকে একমাত্র জীবন ব্যবস্থা হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।এ ব্যপারে আল্লাহ পাক তার পবিত্র কালামে ইরশাদ করেনঃ
ان الدين عند الله الإسلام ♦♦
অর্থঃ নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হলো ইসলাম।(সুরা আলে ইমরানঃ ১৯)।
সুতরাং এই থেকেই বুঝা যায় ইসলাম ছাড়া অন্য যত ধর্ম আছে তা বাতিল । ইসলাম হলো মানব জাতীর মুক্তির এক মাত্র পথ ।আর আল্লাহর কালাম কুরআন মাজীদ হলো মুসলিমদের জন্য সংবিধান আর রাসুলে পাক (দ)এর হাদীস হচ্ছে কুরআনের সর্বোচ্চ ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ। যাতে পারিবারিক জীবন , সামাজিক জীবন , রাষ্ট্রীয় জীবন , অর্থ ব্যবস্থা , বিচার ব্যবস্থা ও আইন কানুন এক কথায় দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত এক জন মুসলিম কিভাবে জীবন পরিচালনা করবে তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ রয়েছে । আর এই কুরআন এবং হাদীসের যথেষ্ট দখল ও জ্ঞান রয়েছে নবীর উত্তরসূরী হক্কানী রাব্বানী আলেমেদ্বীনদের কাছে। সুতরাং ইসলাম ধর্মের যে সমস্ত মুজতাহিদ রয়েছেন তারা এবং হক্কানী রাব্বানী আলেমেদ্বীন তথা ইসলামী স্কলার বা বিশেষজ্ঞ ছাড়া কোন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার,দন্ত- বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার,সাধারণ জনতা ও চায়ের দোকানে বসে বসে অযথা আড্ডা দেওয়া অজ্ঞ লোকদের কোনো অধিকার নেই কুরআন এবং হাদীস নিয়ে বাড়াবাড়ি ও যুক্তিতর্ক করার। তারা কিভাবে কুরআন – হাদীসের অপব্যাখ্যা করে???
♦♦♦ তারা কিভাবে বলে……….? 👉 কুরআনে কিছু ব্যাকরণগত ভুল । রয়েছে ।
👉 রাম কৃষ্ণ নবী হতে পারে ।
👉আল্লাহকে ভগবান , বিষ্ণু ইত্যাদি ডাকা যাবে।
👉 ইসলাম ধর্মে ৫ জন মহিলা নবী আছে আরো ও ইত্যাদি।
♦♦♦মূল কথায় আসা যাক , যারা এই সমস্ত আকিদা পোষণ করে তারা কি ইসলাম ধর্মকে পূর্ণাঙ্গ ধর্ম হিসেবে বিশ্বাস করে না ? তাহলে কি আল্লাহর বাণী মিথ্যা ??? কুরআন – হাদীস কি পরিপূর্ণ নয় ??? এতেই বুঝা যায় তাদের অন্তরে সন্দেহ রয়েছে এবং তারা আল্লাহর বাণীতে বিশ্বাসী নয়। নিঃসন্দেহে এ ধরণের আকিদা পোষণকারীর ঈমান বহু আগেই চলে গিয়েছে। যেখানে আল্লাহ পাক তার পবিত্র কালামে ইরশাদ করেনঃ
♦♦ ما فرطنا فى الكتب من شىء
অর্থঃ আমি এই কিতাবে কোনো কিছুই বাদ দেই নি ।(সুরা আনআমঃ৩৮)
সুতরাং আল কুরআন হলো পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ।কুরআনের শিক্ষাই কিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। তাছাড়া পূর্বের সকল আসমানি কিতাবের সার-নির্যাসও কুরআনে রয়েছে।আল কুরআন সন্দেহমুক্ত কিতাব ।দুনিয়ার কোনো গ্রন্থই নির্ভুল বা অকাট্য নয়।কিন্তু কুরআন নির্ভুল ও সন্দেহেরও বাইরে। তাই আল্লাহ পাক তার পবিত্র কালামে ইরশাদ করেনঃ
♦♦ ذلك الكتب لاريب فيه
অর্থঃ” এটি সেই কিতাব ,যাতে কোনো সন্দেহ নেই।”(সুরা বাকারাঃ০২)। অন্য আয়াতে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেনঃ
♦♦ ونزلنا عليك الكتب تبيانا لكل شىء
অর্থঃ আমি আপনার উপর কুরআন নাজিল করেছি যা প্রত্যেক বিষয়ের স্পষ্ট ব্যাখ্যা সরূপ। (সুরা আন- নাহলঃ৮৯)
আল্লাহ বলছেন কুরআন হচ্ছে প্রত্যেক বিষয়ের স্পষ্ট ব্যাখ্যা সরূপ বান্দা বলছে না । অথচ কুরআনে পাকে ইহকাল ও পরকালের, সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত,জন্ম থেকে মৃত্যু পরবর্তী সকল বর্ণনা স্পষ্ট ভাবে আছে। অথচ যাদের চোখ অন্ধ ও অন্তর তালাবদ্ধ তারা তা বুঝেনা ।তাই আল্লাহ পাক তার পবিত্র কালামে ইরশাদ করেনঃ
“‏اَفَلَا یَتَدَبَّرُوۡنَ الۡقُرۡاٰنَ اَمۡ عَلٰی قُلُوۡبٍ اَقۡفَالُہَا ﴿۲۴﴾‏”
অর্থঃ তবে কি তারা কুরআন সম্পর্কে গভীর ভাবে চিন্তা করেনা, নাকি তাদের অন্তর তালাবদ্ধ ?(সুরা মুহাম্মদঃ ২৪)
এখন আপনাদের কাছেই প্রশ্ন যারা আল্লাহর কালাম কুরআনে পাকের বিরোধী তাদের কি বলা যায়???


অর্থঃ আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করলাম তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামত পরিপূর্ণ করলাম।আর তোমাদের জন্য ইসলামকে দ্বীন হিসেবে মনোনীত করলাম।(সুরা মায়িদাহঃ৩)
ইসলামই একমাত্র হক ও আল্লাহর মনোনীত ধর্ম।তাই তিনিই মানব জাতীর জন্য ইসলামকে একমাত্র জীবন ব্যবস্থা হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।এ ব্যপারে আল্লাহ পাক তার পবিত্র কালামে ইরশাদ করেনঃ
ان الدين عند الله الإسلام ♦♦
অর্থঃ নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হলো ইসলাম।(সুরা আলে ইমরানঃ ১৯)।
সুতরাং এই থেকেই বুঝা যায় ইসলাম ছাড়া অন্য যত ধর্ম আছে তা বাতিল । ইসলাম হলো মানব জাতীর মুক্তির এক মাত্র পথ ।আর আল্লাহর কালাম কুরআন মাজীদ হলো মুসলিমদের জন্য সংবিধান আর রাসুলে পাক (দ)এর হাদীস হচ্ছে কুরআনের সর্বোচ্চ ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ। যাতে পারিবারিক জীবন , সামাজিক জীবন , রাষ্ট্রীয় জীবন , অর্থ ব্যবস্থা , বিচার ব্যবস্থা ও আইন কানুন এক কথায় দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত এক জন মুসলিম কিভাবে জীবন পরিচালনা করবে তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ রয়েছে । আর এই কুরআন এবং হাদীসের যথেষ্ট দখল ও জ্ঞান রয়েছে নবীর উত্তরসূরী হক্কানী রাব্বানী আলেমেদ্বীনদের কাছে। সুতরাং ইসলাম ধর্মের যে সমস্ত মুজতাহিদ রয়েছেন তারা এবং হক্কানী রাব্বানী আলেমেদ্বীন তথা ইসলামী স্কলার বা বিশেষজ্ঞ ছাড়া কোন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার,দন্ত- বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার,সাধারণ জনতা ও চায়ের দোকানে বসে বসে অযথা আড্ডা দেওয়া অজ্ঞ লোকদের কোনো অধিকার নেই কুরআন এবং হাদীস নিয়ে বাড়াবাড়ি ও যুক্তিতর্ক করার। তারা কিভাবে কুরআন – হাদীসের অপব্যাখ্যা করে???
♦♦♦ তারা কিভাবে বলে……….? 👉 কুরআনে কিছু ব্যাকরণগত ভুল । রয়েছে ।
👉 রাম কৃষ্ণ নবী হতে পারে ।
👉আল্লাহকে ভগবান , বিষ্ণু ইত্যাদি ডাকা যাবে।
👉 ইসলাম ধর্মে ৫ জন মহিলা নবী আছে আরো ও ইত্যাদি।
♦♦♦মূল কথায় আসা যাক , যারা এই সমস্ত আকিদা পোষণ করে তারা কি ইসলাম ধর্মকে পূর্ণাঙ্গ ধর্ম হিসেবে বিশ্বাস করে না ? তাহলে কি আল্লাহর বাণী মিথ্যা ??? কুরআন – হাদীস কি পরিপূর্ণ নয় ??? এতেই বুঝা যায় তাদের অন্তরে সন্দেহ রয়েছে এবং তারা আল্লাহর বাণীতে বিশ্বাসী নয়। নিঃসন্দেহে এ ধরণের আকিদা পোষণকারীর ঈমান বহু আগেই চলে গিয়েছে। যেখানে আল্লাহ পাক তার পবিত্র কালামে ইরশাদ করেনঃ
♦♦ ما فرطنا فى الكتب من شىء
অর্থঃ আমি এই কিতাবে কোনো কিছুই বাদ দেই নি ।(সুরা আনআমঃ৩৮)
সুতরাং আল কুরআন হলো পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ।কুরআনের শিক্ষাই কিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। তাছাড়া পূর্বের সকল আসমানি কিতাবের সার-নির্যাসও কুরআনে রয়েছে।আল কুরআন সন্দেহমুক্ত কিতাব ।দুনিয়ার কোনো গ্রন্থই নির্ভুল বা অকাট্য নয়।কিন্তু কুরআন নির্ভুল ও সন্দেহেরও বাইরে। তাই আল্লাহ পাক তার পবিত্র কালামে ইরশাদ করেনঃ
♦♦ ذلك الكتب لاريب فيه
অর্থঃ” এটি সেই কিতাব ,যাতে কোনো সন্দেহ নেই।”(সুরা বাকারাঃ০২)। অন্য আয়াতে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেনঃ
♦♦ ونزلنا عليك الكتب تبيانا لكل شىء
অর্থঃ আমি আপনার উপর কুরআন নাজিল করেছি যা প্রত্যেক বিষয়ের স্পষ্ট ব্যাখ্যা সরূপ। (সুরা আন- নাহলঃ৮৯)
আল্লাহ বলছেন কুরআন হচ্ছে প্রত্যেক বিষয়ের স্পষ্ট ব্যাখ্যা সরূপ বান্দা বলছে না । অথচ কুরআনে পাকে ইহকাল ও পরকালের, সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত,জন্ম থেকে মৃত্যু পরবর্তী সকল বর্ণনা স্পষ্ট ভাবে আছে। অথচ যাদের চোখ অন্ধ ও অন্তর তালাবদ্ধ তারা তা বুঝেনা ।তাই আল্লাহ পাক তার পবিত্র কালামে ইরশাদ করেনঃ
“‏اَفَلَا یَتَدَبَّرُوۡنَ الۡقُرۡاٰنَ اَمۡ عَلٰی قُلُوۡبٍ اَقۡفَالُہَا ﴿۲۴﴾‏”
অর্থঃ তবে কি তারা কুরআন সম্পর্কে গভীর ভাবে চিন্তা করেনা, নাকি তাদের অন্তর তালাবদ্ধ ?(সুরা মুহাম্মদঃ ২৪)
এখন আপনাদের কাছেই প্রশ্ন যারা আল্লাহর কালাম কুরআনে পাকের বিরোধী তাদের কি বলা যায়???

কৃতঃ-মুহাম্মদ ফায়সাল খাঁন
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। যাতে কোন ধরনের অপূর্ণাঙ্গতা বা ঘাটতি নেই। ইসলাম ধর্মেই নিহিত রয়েছে মানবতার মুক্তি।তাই আল্লাহ পাক তার পবিত্র কালামে ইরশাদ করেনঃ
♦♦ اليوم اكملت لكم دينكم واتممت عليكم نعمتى ورضيت لكم الاسلام دينا
অর্থঃ আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করলাম তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামত পরিপূর্ণ করলাম।আর তোমাদের জন্য ইসলামকে দ্বীন হিসেবে মনোনীত করলাম।(সুরা মায়িদাহঃ৩)
ইসলামই একমাত্র হক ও আল্লাহর মনোনীত ধর্ম।তাই তিনিই মানব জাতীর জন্য ইসলামকে একমাত্র জীবন ব্যবস্থা হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।এ ব্যপারে আল্লাহ পাক তার পবিত্র কালামে ইরশাদ করেনঃ
ان الدين عند الله الإسلام ♦♦
অর্থঃ নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হলো ইসলাম।(সুরা আলে ইমরানঃ ১৯)।
সুতরাং এই থেকেই বুঝা যায় ইসলাম ছাড়া অন্য যত ধর্ম আছে তা বাতিল । ইসলাম হলো মানব জাতীর মুক্তির এক মাত্র পথ ।আর আল্লাহর কালাম কুরআন মাজীদ হলো মুসলিমদের জন্য সংবিধান আর রাসুলে পাক (দ)এর হাদীস হচ্ছে কুরআনের সর্বোচ্চ ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ। যাতে পারিবারিক জীবন , সামাজিক জীবন , রাষ্ট্রীয় জীবন , অর্থ ব্যবস্থা , বিচার ব্যবস্থা ও আইন কানুন এক কথায় দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত এক জন মুসলিম কিভাবে জীবন পরিচালনা করবে তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ রয়েছে । আর এই কুরআন এবং হাদীসের যথেষ্ট দখল ও জ্ঞান রয়েছে নবীর উত্তরসূরী হক্কানী রাব্বানী আলেমেদ্বীনদের কাছে। সুতরাং ইসলাম ধর্মের যে সমস্ত মুজতাহিদ রয়েছেন তারা এবং হক্কানী রাব্বানী আলেমেদ্বীন তথা ইসলামী স্কলার বা বিশেষজ্ঞ ছাড়া কোন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার,দন্ত- বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার,সাধারণ জনতা ও চায়ের দোকানে বসে বসে অযথা আড্ডা দেওয়া অজ্ঞ লোকদের কোনো অধিকার নেই কুরআন এবং হাদীস নিয়ে বাড়াবাড়ি ও যুক্তিতর্ক করার। তারা কিভাবে কুরআন – হাদীসের অপব্যাখ্যা করে???
♦♦♦ তারা কিভাবে বলে……….? 👉 কুরআনে কিছু ব্যাকরণগত ভুল । রয়েছে ।
👉 রাম কৃষ্ণ নবী হতে পারে ।
👉আল্লাহকে ভগবান , বিষ্ণু ইত্যাদি ডাকা যাবে।
👉 ইসলাম ধর্মে ৫ জন মহিলা নবী আছে আরো ও ইত্যাদি।
♦♦♦মূল কথায় আসা যাক , যারা এই সমস্ত আকিদা পোষণ করে তারা কি ইসলাম ধর্মকে পূর্ণাঙ্গ ধর্ম হিসেবে বিশ্বাস করে না ? তাহলে কি আল্লাহর বাণী মিথ্যা ??? কুরআন – হাদীস কি পরিপূর্ণ নয় ??? এতেই বুঝা যায় তাদের অন্তরে সন্দেহ রয়েছে এবং তারা আল্লাহর বাণীতে বিশ্বাসী নয়। নিঃসন্দেহে এ ধরণের আকিদা পোষণকারীর ঈমান বহু আগেই চলে গিয়েছে। যেখানে আল্লাহ পাক তার পবিত্র কালামে ইরশাদ করেনঃ
♦♦ ما فرطنا فى الكتب من شىء
অর্থঃ আমি এই কিতাবে কোনো কিছুই বাদ দেই নি ।(সুরা আনআমঃ৩৮)
সুতরাং আল কুরআন হলো পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ।কুরআনের শিক্ষাই কিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। তাছাড়া পূর্বের সকল আসমানি কিতাবের সার-নির্যাসও কুরআনে রয়েছে।আল কুরআন সন্দেহমুক্ত কিতাব ।দুনিয়ার কোনো গ্রন্থই নির্ভুল বা অকাট্য নয়।কিন্তু কুরআন নির্ভুল ও সন্দেহেরও বাইরে। তাই আল্লাহ পাক তার পবিত্র কালামে ইরশাদ করেনঃ
♦♦ ذلك الكتب لاريب فيه
অর্থঃ” এটি সেই কিতাব ,যাতে কোনো সন্দেহ নেই।”(সুরা বাকারাঃ০২)। অন্য আয়াতে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেনঃ
♦♦ ونزلنا عليك الكتب تبيانا لكل شىء
অর্থঃ আমি আপনার উপর কুরআন নাজিল করেছি যা প্রত্যেক বিষয়ের স্পষ্ট ব্যাখ্যা সরূপ। (সুরা আন- নাহলঃ৮৯)
আল্লাহ বলছেন কুরআন হচ্ছে প্রত্যেক বিষয়ের স্পষ্ট ব্যাখ্যা সরূপ বান্দা বলছে না । অথচ কুরআনে পাকে ইহকাল ও পরকালের, সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত,জন্ম থেকে মৃত্যু পরবর্তী সকল বর্ণনা স্পষ্ট ভাবে আছে। অথচ যাদের চোখ অন্ধ ও অন্তর তালাবদ্ধ তারা তা বুঝেনা ।তাই আল্লাহ পাক তার পবিত্র কালামে ইরশাদ করেনঃ
“‏اَفَلَا یَتَدَبَّرُوۡنَ الۡقُرۡاٰنَ اَمۡ عَلٰی قُلُوۡبٍ اَقۡفَالُہَا ﴿۲۴﴾‏”
অর্থঃ তবে কি তারা কুরআন সম্পর্কে গভীর ভাবে চিন্তা করেনা, নাকি তাদের অন্তর তালাবদ্ধ ?(সুরা মুহাম্মদঃ ২৪)
এখন আপনাদের কাছেই প্রশ্ন যারা আল্লাহর কালাম কুরআনে পাকের বিরোধী তাদের কি বলা যায়???

10-Minute-Madrasah-Group-Join