কেমন নারীকে বিবাহ করা উচিত ও উচিত না ?

0
421
কেমন-নারীকে-বিবাহ-করা-উচিত-ও-উচিত-না
কেমন-নারীকে-বিবাহ-করা-উচিত-ও-উচিত-না
Print Friendly, PDF & Email

কেমন নারীকে বিবাহ করা উচিত ও উচিত না ?

বিবাহের ক্ষেত্রে এমন নারী নির্বাচন করবে, যার মধ্যে ধার্মিকতা ও আমল আখলাকের ক্ষেত্রে স্বামীর চেয়ে উত্তম। এতে সে নারী অর্থ সম্পদের ক্ষেত্রে স্বামী সমতুল্য না হোক, তাতে কিছু আসে যায় না। নারীর চেহারা গোলাকার হলে সবচেয়ে ভালো। গোলাকার ও লম্বাকৃতির চেহারা সবই আল্লাহর সৃষ্টি। তবে গোলাকার চেহারার অধীকারী নারীর কিছু কিছু আলাদা বৈশিষ্ট থাকে। যা সাংসারিক জীবনে সুখের সৃষ্টি করে। তদ্রুপভাবে স্ত্রী দুরের বংশের হওয়াটা বেশি উপকারী।

কারণ নিকটাত্মীয় অর্থাৎ চাচাতো, ফুফাতো, মামাতো, খালাতো বোন ইত্যাদি আপন আত্মীয়ের মধ্যে দূরের তুলনায় ভালবাসা মহব্বত কম হয়ে থাকে। এদের থেকে যে সন্তান জম্মগ্রহণ করে সাধারণত তারা মেধা শক্তি ও জ্ঞান গরিমায় দুর্বল হয়ে থাকে। কখনও কখনও বিকলাঙ্গ বা বিভিন্ন জটিল রোগের শিকার হয়ে থাকে। এজন্য যথাসম্ভব দূরের কোনো নারীকেই বিবাহ করবে।


স্ত্রীর সাথে প্রথম সহবাস প্রস্ততি কিভাবে নিতে হবে?

স্বাভাবিক পদ্ধতির বরখেলাপ স্ত্রী-সহবাস করা

যারা বিয়ে করেন নি তাদের জন্য এই পোস্ট (বিবাহের সুন্নাত পদ্ধতি) পর্ব-১


কেননা, দূরের আত্মীয়দের সাথে মহব্বত-ভালোবাসা বেশি হয়ে থাকে। আর সন্তানাদিও জ্ঞান বুদ্ধির দিক দিয়ে তীক্ষ্ণ হয়ে থাকে। সাথে সাথে নতুন করে একটি বংশের সাথে সম্পর্ক করার দ্বারা বংশধারাও বৃদ্ধি পায়।

দ্বীনি ও দুনিয়াবী উভয় শিক্ষার শিক্ষিতা পাত্রীকেই বিবাহ করা চাই। একেবারে মূর্খ জাহেল অশিক্ষিওতা নারী বিবাহ না করাই উত্তম। নারী মোটা হওয়া বা চিকন হওয়া এটা ছেলের পছন্দের উপর নির্ভর করবে। কারো পছন্দ মোটা মেয়ে আবার কারো পছন্দ চিকন ও হালকা মেয়ে। তবে অধিকাংশ লোকজন হালকা নারীকেই বেশি পছন্দ করে থাকে।

এক হাদিসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা এমন মহিলাকে বিবাহ কর, যার থেকে বেশি বেশি সন্তান জম্ম নেয়। প্রশ্ন হতে পারে যে, বিবাহের আগেই অধিক সন্তান হওয়ার নির্দেশন কি? এ বিষয়টি বুঝতে হলে, উক্ত মেয়ের সহোদরা অর্থাৎ বোনে সন্তানাদি কতগুলি অথবা উক্ত মহিলার সহোদর বোন কতজন। কিংবা তার ভাইয়ের সন্তানাদি কতজন। তাদের সন্তানাদি বেশি হলে, আশা করা যায় যে, এ মহিলার থেকেও অধিক সন্তানাদি হবে। বিবাহের ক্ষেত্রে নির্বাচিতা নারী যেন বাঁজা না হয়। বাঁজা বলা হয় ঐ নারীকে, সন্তান জম্ম দেয়ার যোগ্যতা যে নারীর মধ্যে নেই।


আরো পড়ুন


যে কয়েকটি চিহ্ন দেখলে বুঝবেন রাত্রটি শবে কদর রাত । শবে কদরের আমল পদ্ধতি | শবে কদর

সাদাকাতুল ফিতর কী এবং সাদাকাতুল ফিতরের পরিমাণ : কিছু কথা (ভিডিও সহ)

ইতিকাফের বিভিন্ন মাসয়ালা মাসায়েল জেনে নিন ( ভিডিও সহ )

রূহের  অবস্থান-  কিতাবুর রূহ্  এর বর্ণনা

মৃত্যুর পর  রূহের  অবস্থান কোথায়?


বিবাহের পূর্বে কিছু কথা

সন্তানাদি যখন প্রাপ্ত বয়সে পৌঁছে, তখন পিতা—মাতার উচিত বিবাহের পূর্বে তাদের থেকে তাদের মতামত জেনে নেওয়া। যাতে বুঝা যায় যে, এতে সে সম্মত কি না? বিবাহের পূর্বে এ বিষয়টিও খেয়াল করতে হবে যে, যাকে বিবাহ করা হচ্ছে, সে নারী বাড়ি—ঘরের কাজ, রান্না—বান্নার কাজ, সেলাই কাজ ও ঘরের রক্ষণাবেক্ষণের কাজে কতটুকু শিয়ানা। কেননা বিবাহের পর ঘরের যাবতীয় কাজের দায়-দায়িত্ব তাকেই নিতে হবে।

কেমন নারীকে বিবাহ করা উচিৎ না জ্ঞানীরা বলেন, নিম্মোক্ত মেয়েদেরকে বিবাহ না করা উত্তম।

এক. যে সকল মহিলা সব সময় বিরক্ত হয়ে থাকে এবং সবক্ষেত্রেই যে সব মহিলা হা—হুতাশ করে। কিংবা সবসময় যে মহিলা অসুস্থ থাকে। এসব মেয়েদেরকে বিবাহ করলে সাংসারিক জীবনে কোনো কাজেই বরকত পাওয়া যায় না।

দুই. উপকার করে খোঁটাদানকারী মহিলা।

তিন. প্রথম স্বামীর প্রতি আসক্ত মহিলাকে বিবাহ করা থেকে বিরত থাকবে।

চার. যে সব মহিলা সর্বক্ষণ সাজগোজ নিয়ে ব্যস্ত থাকে।

পাঁচ. সব সময় অশ্লীল ভাষায় বকা-বাজীকারী মহিলাকে বিবাহ করবেন না।

ছয়. বাচাল বা প্রলাপী মহিলাকেও বিবাহ করতে নেই।

সাত. বৃদ্ধা মহিলার সাথে সহবাসে যেহেতু যুবকদের মানসিক দুর্বলতা ও অস্লসতা সৃষ্টি হয়, সেহেতু বৃদ্ধাদেরকে বিবাহ করবে না।

জ্ঞানীরা বলে থাকেন যে, যুবতীদেরকে বিবাহ করে সহবাস করার দ্বারা জান তথা ভ্রূণ সৃষ্টি হয়। পক্ষান্তরে বৃদ্ধাদেরকে বিবাহ করে সহবাস করার দ্বারা অনিষ্টতা বৃদ্ধি পায়। সে সাথে অলসতা ও দুর্বলতা দেখা দেয়।

Your 250x250 Banner Code