করোনাভাইরাস: ঝরে গেল ২ লাখ ৮০ হাজার প্রাণ

0
18
Print Friendly, PDF & Email

বৈশ্বিক মহামারী নভেল করোনাভাইরাসের তাণ্ডব থামছেই না। ধ্বংসলীলা অব্যাহত আছে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের। সকালে ঘুম ভাঙ্গে মৃত্যু সংবাদে। এ যেন মৃত্যুপুরী। চারদিকে শুধু লাশ আর লাশ। কেবল লাশের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২ লাখ ৮০ হাজার ৪৩২ জন। এছাড়া এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৪১ লাখ ৭৯৬ জনের শরীরে। এরইমধ্যে ২১২টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাস। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ লাখ ৪১ হাজার ৪৮৪ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ২৩ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮০ জন। এদের মধ্যে ২৩ লাখ ৩১ হাজার ১৯৯ জনের শরীরে মৃদু সংক্রমণ থাকলেও ৪৭ হাজার ৬৮১ জনের অবস্থা গুরুতর।

এই পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যার দিক থেকে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ লাখ নয় হাজার একশ ৫৯। মারা গেছে ৭৮ হাজার সাতশ ৯২ জন। মৃতের সংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের পরের অবস্থানে উঠে এসেছে যুক্তরাজ্য। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩১ হাজার ৫৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ১৫ হাজার ২৬০ জন। এরপর মৃত্যুর দিক থেকে হিসাবে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইতালি। সেখানে ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা দুই লাখ ১৮ হাজার দুইশ ৬৮ জন আর মারা গেছে ৩০ হাজার তিনশ ৯৫ জন। প্রাণহানির হিসাবের তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে স্পেন, তবে দেশটি আক্রান্তের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। দেশটিতে মারা গেছে ২৬ হাজার চারশ ৭৮ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ২৩ হাজার পাঁচশ ৭৮ জন। মৃত্যুর তালিকায় এর পরের অবস্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২৬ হাজার ৩১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৫৮ জন।

এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে ইরানে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৬ হাজার ২২০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৫৮৯ জনের। পরের অবস্থানেই উৎপত্তিস্থল চীন। এদিকে, দক্ষিন-পূর্ব এশিয়াতে ভারতের অবস্থা সবার উপরে। আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়িয়েছে, মৃত্যু ২ হাজার ১শ। দেশটিতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা।

এদিকে, বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে ১৩ হাজার ৭৭০ জনের শরীরে। মারা গেছেন ২১৪ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৪১৪ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ১১ হাজার ১৪২ জন।



Source link