কক্সবাজার রামুতে লকডাউনকে কাজে লাগিয়ে মানছে না ১৪৪ ধারা।

0
13
Print Friendly, PDF & Email

Print Friendly, PDF & Email

বিবিসিনিউজ২৪,ডেস্কঃ  অমিয় বড়ুয়া,চুংকু বড়ুয়া, ধীমান বড়ুয়া এবং কাকল বড়ুয়া(কাকন) বাদী হয়ে ৩৭ জনের বিরুদ্ধে গত ২৬/০৯/২০১৮ বিভাগ উচ্চারণ ও বন্ধক উদ্ধারে খাস দখল পাওয়ার আবেদন করে কোর্টে মামলা দায়ের করে।

বিবাদীগণ কোর্ট থেকে নোটিশ না পাওয়ার কারণে বিষয়টা ১০/০২/২০২০শে এসে জানতে পারে। তখন বিবাদীগণের জমির কাগজপত্র দিয়ে গত ১৭/০২/২০২০ইং এম আর মামলা নম্বর ২৬৯/২০ ধারা-ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনের ১৪৪ এবং কোর্ট স্মারক নং- ৩৭৮/২০ এডিএম, মামলা দায়ের করে।

১৪৪ ধারার কাগজে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল খায়ের স্বাক্ষর করে এসআই রাজিব বড়ুয়াকে দায়িত্ব হস্তান্তর করে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখতে বলেন আবুল খায়ের।

এসআই রাজিব বড়ুয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে সেখানেই আইনগত অনুযায়ী ১৪৪ ধারা অর্থসহ সবাইকে সব বুঝিয়ে দেন। সেখানে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয় যে, কোনো ধরনের স্থাপনা, বাড়িঘর যেন কেউ না করে।

০২/০৫/২০২০ইং গোপন সূত্রে খবর পাওয়া যায়, ১৪৪ ধারার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নলকূপ স্থাপন করার জন্য মিস্ত্রি এবং কাজ করার জন্য সরঞ্জাম নিয়ে গেছে। বিষয়টি জানার পর রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল খায়েরকে জানালে উনি বলেন লিখিত অভিযোগ করার জন্য। ০৩/০৫/২০২০ লিখিত অভিযোগ করেন সকালবেলা। বিকেল বেলা এসআই গণেশ চন্দ্র ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

দেখা যাই সেখানে নলকূপ মিস্ত্রি কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। চুংকু বড়ুয়ার সহধর্মিনী বাড়িতে ছিল। এসআই গণেশ চন্দ্র যখন জিজ্ঞেস করেন, কেন তারা নলকূপ স্থাপন করছেন, এখানে তো ১৪৪ ধারা জারি করা আছে, তারপরও এখানে কেন আইন অমান্য করে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কেন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন? কাজ বন্ধ করতে বলেন মিস্ত্রিদের। মিস্ত্রিরাও কাজ বন্ধ করে দেন। এসআই গণেশ চন্দ্র ১৪৪ ধারার আবার নতুন করে অর্থসহ এদেরকে বুঝিয়ে দিলেন।

এসআই গণেশ চন্দ্র বলেন, সন্ধ্যার সময় উভয় পক্ষকে থানায় হাজির হতে। উভয় পক্ষ রীতিমতো সময় অনুযায়ী উপস্থিত হন। চুংকু বড়ুয়া, ধীমান বড়ুয়া ,কাকল বড়ুয়া (কাকন) সাথে টাফু বড়ুয়া ও উত্তম মহাজন থানায় উপস্থিত হন। থানায় গেলে এসআই গণেশ চন্দ্র বলেন, কোন পক্ষ যেন সেখানে কোন নলকূপ বাড়িঘর স্থাপনা করা থেকে বিরত থাকে। এতে উভয় পক্ষ এসআই গণেশ চন্দ্রের কথায় সম্মত হন।

সকাল বেলা দেখা যায়, এসআই গণেশ চন্দ্রের কথা অমান্য করে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সেখানে রাতারাতি নলকূপ স্থাপন করে ফেলেছে। বিষয়টা সকালবেলা মুটোফোনে এসআই গণেশ চন্দ্রকে জানানো হলে উনি বলেন, এখানে আমাদের আর কিছু করার নেই। আপনারা ১৮৮ ধারার জন্য কোর্টে আবেদন করুন। আমি প্রতিবেদন দিয়ে দেব আমার পক্ষ থেকে।



Source link