অসহায়দের দুয়ারে দুয়ারে সুয়াবিল ইসলামী গণপাঠাগারের মমতার পরশ বিতরণ

0
17
Print Friendly, PDF & Email

Print Friendly, PDF & Email

কাজী শহিদুল্লাহ ওয়াহেদ: মহান আল্লাহ’র অশেষ রহমত, সকলের বিশেষ দুআ, দানশীল প্রবাসী দায়িত্বশীলগণের আর্থিক সহযোগিতা এবং দেশীয় দায়িত্বশীলগণের শারীরিক পরিশ্রমে সুয়াবিল ইসলামী গণপাঠাগার (ফটিকছড়ি)- এর কাঁচা ইফতার ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি কার্যক্রম শেষ হয়েছে, গতকাল ২৭ এপ্রিল’ ২০ ইং সোমবার রাতব্যাপী কর্মসূচির মাধ্যমে।

পক্ষকালব্যাপী টানা পরিশ্রম, পরিকল্পনা, অর্থ সংগ্রহ এবং এলাকার অসহায়- সম্ভ্রান্ত ও লজ্জাকাতর উপযুক্ত পাত্র নির্বাচনসহ যাবতীয় কৌশলী কর্মযজ্ঞ নিপুণতার সাথে শেষ করে অত্যন্ত গোপনীয়তা রক্ষা ও শতভাগ পাত্রাড়ালের মাধ্যমেই সমাপ্তি হয়, ত্রাণ সহায়তা কর্মসূচি।

“যেখানেই নিঃস্ব- অসহায় আর্তমানবতার চিৎকার
সেখানেই মানবতাবাদী-
প্রিয় সুয়াবিল ইসলামী গণপাঠাগার!”
এ প্রতিপাদ্যকে মানসিক স্থিরতা দিয়ে বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনার প্রাদুর্ভাবে দীর্ঘ লকডাউন জীবনে গৃহবন্দী হয়ে পড়া কর্মক্ষম সম্মানী লোকদের সহায়তাদানের উদ্দেশ্যে গত ১৪ এপ্রিল অনলাইন ভিত্তিক এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়, সাবেক সভাপতি ও স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এম এনামুল হকের সভাপতিত্বে।

প্রবাসী কমিটির সেক্রেটারি ও স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য আল মাহমুদ- এর সঞ্চালনায় অংশগ্রহণকারী স্থায়ী কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, প্রবাসী কমিটির সভাপতি ও কাতার প্রবাসী মাওলানা লোকমান হাকীম, সহ সভাপতি ও দুবাই প্রবাসী মাওলানা ইউসুফ, সহ সভাপতি ও ওমান প্রবাসী মাওলানা এয়াকুব আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ডা. গোলাম মোস্তফা চৌধুরী, সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা জাহেদুল ইসলাম ও সাবেক সভাপতি আলী আকবর।

উক্ত অনলাইন কনফারেন্সে সর্বসম্মত সিদ্ধানতানুযায়ী এম এনামুল হককে আহবায়ক ও আল মাহমুদকে সদস্য সচিব করে দেশ- বিদেশের সকল কমিটির সমন্বয়ে ২৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি শক্তিশালী ত্রাণ সমন্বয় কমিটি গঠিত হয়।

কমিটি ঘোষিত কর্মসূচির শতভাগ বাস্তবায়নে ১৫ দিনের সময় নির্ধারণ করে দিলেও, আলহামদুলিল্লাহ্‌ টানা ১৩ দিনব্যাপী পরিশ্রমের সফল সমাপ্তি আসে- বিবৃতচারী কিছু দায়িত্বশীলের ওমরী মানসিকতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দিনব্যাপী রোজা পালন শেষে ক্লান্তদেহে ফের রাতব্যাপী অসহায়ের দুয়ারে দুয়ারে জনতার কিঞ্চিৎ সেবা দানের মাধ্যমে!

আলেম- ওলামা, দ্বীনদার ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত সম্ভ্রান্ত পরিবারের সহায়তায় স্বাদ ও সাধ্যের যোজন যোজন ফরক থাকা স্বত্বেও প্রদত্ত উপঢৌকনে পাঠাগার চেষ্টা করেছে, গতানুগতিক স্রোতের বিপরীতে তিন ব্যাগের সামগ্রী এক ব্যাগে পৌঁচে দিয়ে, তার দীর্ঘ রুচিবোধ, স্বাতন্ত্র্য- বৈশিষ্ট্য ও আন্তরিকতার সে পুরানো ঐতিহ্য পূর্ণরুপে আঁকড়ে ধরার।তবে কতটুকু সম্ভব হয়েছে, তা জানা থাকার কথা কর্তৃপক্ষের নয়, অনেকটা গ্রহিতারই…

তাই সুরে সুরেই হোক দুঃখ প্রকাশ-

স্রষ্টা নয়, তবুও সৃষ্টি বলে কথা…
সীমাবদ্ধতায়ও স্মৃতি হোক গাঁথা!



Source link